কঠোর লকডাউনে পরিচয়পত্র প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে এক নারী চিকিত্সকের সঙ্গে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের বাদানুবাদের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কোনো আদেশ দেয়নি হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, ঐ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউ যদি সংক্ষুব্ধ হয়ে আদালতে আসে তখন দেখা যাবে। কিন্তু আপনি কে? বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এক আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মন্তব্য করেন।
চিকিত্সক হয়রানির অভিযোগ এনে এ বিষয়ে আদালতের কাছে আদেশ প্রার্থনা করেন আইনজীবী ইউনূস আলী আকন্দ। কিন্তু তার আবেদনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদেশ দান থেকে বিরত থাকে হাইকোর্ট।
গত ১৮ এপ্রিল রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে এক নারী চিকিত্সকের কাছে তার আইডি কার্ড ও মুভমেন্ট পাশ আছে কি না তা প্রদর্শন করাকে কেন্দ্র করে বাগিবতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ঐ চিকিত্সক, দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কর্মকর্তা। এ নিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই বিষয়টি গতকাল হাইকোর্টের নজরে আনেন ঐ আইনজীবী।