টানা আট কর্মদিবস ঊর্ধ্বমুখী বিনিয়োগকারীরা খুশি

লকডাউনে শেয়ারবাজার

ইত্তেফাক রিপোর্ট

লকডাউনের মধ্যেও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে দেশের শেয়ারবাজার। এখনো পর্যন্ত লকডাউনের মধ্যে ছয় কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এর প্রতিটি কার্যদিবসেই সূচক আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। আর সব মিলিয়ে টানা আট কর্মদিবস ঊর্ধ্বমুখী ধারায় রয়েছে শেয়ারবাজার। এমন টানা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় বিনিয়োগকারীরা লাভবান হচ্ছেন। অবশ্য এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ভূমিকাকে সংশ্লিষ্টরা প্রশংসা করছেন।

বিনিয়োগকারীরা বলছেন, কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে শেয়ারবাজারে লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিএসইসি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা অবশ্যই সাহসী উদ্যোগ ছিল। এ কারণে বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়েছে। বড় বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। যে কারণে লেনদেনের গতি বেড়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিনের লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৪৩৫ পয়েন্টে উঠে এসেছে। এর মাধ্যমে লকডাউনে কঠোর বিধিনিষেধের ছয় কার্যদিবসে ডিএসই প্রধান সূচক বাড়ল ১৭৪ পয়েন্ট। প্রধান সূচকের পাশাপাশি বেড়েছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক।

এ সূচকটি আগের দিনের তুলনায় ৪ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৮৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ৪৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১ হাজার ১৩৫টির। ৭৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

গতকাল সূচকের পাশাপাশি বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৮৮৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৭৭৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনেদেন বেড়েছে ১০৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা।

গতকাল অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১২ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০২টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৯৫টির এবং ৫১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।