আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) চলমান পরিস্থিতিতে সারাদেশে জেলা-উপজেলায় দলীয়ভাবে দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা জোরালো করার নির্দেশ দিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এই নির্দেশনা জেলা ও উপজেলা নেতাদের মধ্যে টেলিফোন ও এসএমএস-এর মাধ্যমে সারাদেশের দলীয় নেতাদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের পরামর্শে দপ্তর সেল দলীয় সভানেত্রীর এ নির্দেশনা কার্যকর করে।
এদিকে গতকাল দুপুরে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির চেয়ারম্যান এ কে এম রহমতুল্লাহ এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে থাকবে। বিশেষ করে দলের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপকমিটি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সামগ্রী, খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি আরো বেগবান করবে। শেখ হাসিনার আমলে কেউ না খেয়ে থাকবে না। আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এবং উপকমিটির সদস্য সচিব সুজিত রায় নন্দীর পরিচালনায় সভায় উপকমিটির প্রায় সব সদস্য অংশগ্রহণ করেন। এ কে এম রহমতুল্লাহ এমপি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল। সে কারণেই জনগণের যেন কষ্ট না হয় সে লক্ষ্য নিয়েই আমাদের পদক্ষেপ নিতে হবে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের প্রায় ৩৫ লাখ পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ১ লাখ কৃষক পরিবার পাবে ৫ হাজার টাকা করে। এ জন্য সরকারের ৯৩০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। বুধবার ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা ছাড় দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপকমিটির সদস্য সচিব এবং দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার মেধা, দক্ষতা, প্রজ্ঞায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করার নানাবিধ পন্থা অবলম্বন করছেন। তিনি বলেন, করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার সহযোগিতা চান। সবার সহযোগিতায় আজ এই অদৃশ্য শত্রু করোনাকে মোকাবিলা করতে হবে। সম্মিলিতভাবে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তুলতে হবে।