বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত। ঘড়িতে তখন ৩টা বেজে ১৫ মিনিট। পুরান ঢাকার বাবুবাজার ব্রিজের পাশে ৯/১১ নম্বর আরমানিটোলায় ছয়তলা হাজী মুসা ম্যানশনের পাশে নির্মাণাধীন ভবনের নিচ তলায় এটিএম বুথে ঘুমাচ্ছিলেন নিরাপত্তাকর্মী বজলুর রহমান। কিছুক্ষণ পরই তিনি সেহরি খাওয়ার জন্য ঘুম থেকে উঠতেন। কিন্তু তার আগেই বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দে ঘুম ভেঙে যায় তার। দ্রুত বাইরে এসে দেখেন হাজী মুসা ম্যানসন জ্বলছে।
এভাবেই হাজী মুসা ম্যানশনের রাসায়নিকের গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগার মুহূর্তের কথা বর্ণনা করেন নিরাপত্তাকর্মী বজলুর রহমান। আরমানিটোলার এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন চার জন। এরা হলেন—শ্রমিক কবির, নৈশপ্রহরী রাসেল মিয়া, রাসেলের ফুপা আরেক প্রহরী ওয়ালিউল্লাহ বেপারী ও চতুর্থ তলার বাসিন্দা ইডেন মহিলা কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী সুমাইয়া। নিহতদের মধ্যে দুজনের বাড়ি চাঁদপুরে। এদের মধ্যে কবির ঐ ভবনের চিলেকোঠায় থেকে কাগজের বান্ডিল বাধার কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন তার ভাতিজা সাইফুল। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চার ফায়ার সার্ভিসের কর্মীসহ ২৫ জন। এদের মধ্যে দুই জন শিশু, পাঁচ জন নারী, ১৪ জন পুরুষ। দগ্ধ চার জনের পুড়েছে শরীরের ২৫ শতাংশ। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের চেষ্টায় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আগুন নেভানো সম্ভব হয়। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, রাসায়নিকদ্রব্য থেকেই আগুনের সূত্রপাত।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হাজী মুসা ম্যানশনের মালিক মোস্তাক আহমেদ। তিনি থাকেন ধানমন্ডিতে। ভবনটিতে ১৮টি পরিবার বাস করে। অতিরিক্ত ধোঁয়ার কারণে প্রথমে আশপাশের ভবন থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়। আটকে পড়া অনেককেই মুমূর্ষু অবস্থায় গ্রিল কেটে, জানালা ও দরজা ভেঙে উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। আগুনে ভবনটির নিচ তলার ৫৬টি দোকানও পুড়ে গেছে। পুড়েছে গুদামের ভেতরে রাখা বেশকিছু বড় বড় ড্রাম। এ ছাড়া রাসায়নিক পণ্য কেনাবেচায় ব্যবহূত কিছু ছোট ছোট কনটেইনার।
ঐ ভবনের পাশের একটি ভবনের একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন, তাদের ভবনের নিচেও রাসায়নিকের গুদাম রয়েছে। তাদের দাবি, আশপাশের প্রায় সব ভবনেই এ ধরনের গুদাম রয়েছে। তবে এসব ভবনে মালিকরা নিজেরা বসবাস করেন না। তারা ভাড়া দিয়ে রাজধানীর ধানমন্ডি, গুলশান বনানীর মতো অভিজাত এলাকায় থাকেন।
আহত যারা
আগুনে পুড়ে ও ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে আহতরা হলেন : আশিকুজ্জামান (৩৩), তার স্ত্রী ইসরাত জাহান মুনা (৩০), শ্বশুর ইব্রাহিম সরকার (৬০), শাশুড়ি সুফিয়া বেগম (৫০), শ্যালক জুনায়েদ (২০), মোস্তফা (৪০), ইউনুস মোল্লা (৬০), সাকিব হোসেন (৩০), সাখাওয়াত হোসেন (২৭), সাফায়েত হোসেন (৩৫), চাষমেরা বেগম (৩৩), দেলোয়ার হোসেন (৫৮), আয়সাপা (২), খোরশেদ আলম (৫০), লায়লা বেগম (৫৫), মোহাম্মদ ফারুক (৫৫), মেহেরুন্নেসা (৫০), মিলি (২২), পাবিহা (২৬), আকাশ (২২) ও আসমা সিদ্দিকা (৪৫)।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নিমতলীতে অবৈধভাবে পরিচালিত রাসায়নিকের গুদামে আগুন লেগে ১২৪ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে চকবাজারের চুরিহাট্টা এলাকায় ভয়াবহ আগুনে অন্তত ৬৭ জনের মৃত্যু হয়। এত মৃত্যুর পর পুরান ঢাকার আবাসিক এলাকা থেকে রাসায়নিকের গুদাম সরানোর নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও অজানা কারণে তা কার্যকর হয়নি।
উদ্ধার তত্পরতা
ফায়ার ফাইটার ও স্থানীয়রা জানান, ভোরে আরমানিটোলার হাজী মুসা ম্যানশনের নিচতলার কেমিক্যাল গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর আগুন ছয়তলা ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। কয়েক ঘণ্টা পর তারা আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। ঘটনাস্থলে মারা যান নিরাপত্তাকর্মী রাসেল মিয়া। এ সময় ঐ ভবনের বিভিন্ন তলার বাসিন্দারা আটকা পড়েন। তারা ছাদে গিয়ে আশ্রয় নেন। এর মধ্যে বেশ কয়েক জন ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের ক্রেন দিয়ে ভবন থেকে নামিয়ে আনে ফায়ার সার্ভিস। তাদের মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হলে সুমাইয়া মারা যান। আর সকালে ভবনের ছাদের একটি রুম থেকে উদ্ধার করা হয় আরেক নিরাপত্তাকর্মী ওয়ালিউল্লার মরদেহ। উদ্ধার তত্পরতা চালাতে গিয়ে আহত হন ফায়ার সার্ভিসের চার কর্মীও।
প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মী বজলুর রহমান বলেন, ‘আমি মনে করেছিলেন এটিএম বুথের এসি ব্লাস্ট হয়েছে। বেরিয়ে দেখি পাশের ভবন হাজী মুসা ম্যানশনে আগুন জ্বলছে। আগুন আগুন বলে চিত্কার করে দৌড়ে গিয়ে দেখি—তালা দিয়ে ক্যাঁচিগেট লাগানো। এরপর আমি চাবি কই, চাবি কই বলে চিত্কার করি। ভবনটির দারোয়ান ভেতরেই ছিলেন। বয়স তার ৬০ বছরের মতো। চাবি খুঁজতে গিয়ে তিনি আটকা পড়েন।’
এ সময় বজলুর রহমানের চিত্কারে আরো দুই-চার জন আসেন। কেউ এক জন জিআই পাইপ নিয়ে আসেন। সেটি দিয়ে ক্যাচিগেটের তালা ভেঙে ঢুকে এক জন ৪৫/৫০ বছর বয়সের লোককে উদ্ধার করা হয়। এরপর ধোঁয়ায় আর ভেতরে প্রবেশ করা সম্ভব হয়নি।
বজলুর রহমান আরো বলেন, ‘ওপরের তলাগুলো থেকে অনেকে লাফ দিতে চেয়েছিলেন। আমি তাদের অনুরোধ করেছি লাফ দিয়েন না। এরপর অনেক নারী শাড়ি ও লুঙ্গি জোড়া দিয়ে নামতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিপদ থাকায় সবাইকে নিষেধ করেছি হাতজোড় করে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে ক্রেন দিয়ে তাদের উদ্ধার করে। এ সময় একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জানলাম ঐ মৃতদেহটি নিরাপত্তাকর্মীর। যিনি চাবি খুঁজে না পেয়ে আটকা পড়েছিলেন।’
‘পুড়ে গেছে’ একটি সাজানো পরিবার
আরমানিটোলার আগুনে শুধু ভবনই পুড়েনি, পুড়েছে একটি সাজানো পরিবার। ইডেন কলেজের ইংরেজি তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া পরিবারের সঙ্গে থাকতেন হাজী মুসা ম্যানশনে। আগুনে দম বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। আর পরিবারের অন্য পাঁচ সদস্যও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে লড়াই করছেন মৃত্যুর সঙ্গে। বড় মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকায় দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ মেজো জামাইকে নিয়ে মুসা ম্যানশনের চতুর্থ তলায় থাকতেন সুমাইয়ার বাবা ইব্রাহিম ও মা সুফিয়া। নিহত সুমাইয়ার বোন মুনা ও দুলাভাই আশিক বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে রয়েছেন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আর বাবা-মা ও ছোটভাই জুনায়েদের অবস্থাও সংকটাপন্ন।
সবাইকে জাগিয়ে চিরঘুমে রাসেল
হাজী মুসা ম্যানশনে আগুন লাগলে ভবনের নৈশপ্রহরী রাসেল ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে গিয়ে কলিং বেল চেপে, দরজা পিটিয়ে আগুনের খবর দেন। অনেকক্ষণ পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টাও করেন। পরবর্তীকালে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা রাসলকে সিঁড়ি থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী নারী জানান, ‘আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাত্ কলিং বেলের শব্দ পেয়ে গেট খুলতেই দেখি ধোঁয়া আর গ্যাসের গন্ধ। তখন রাসেল বলছে, চাচি কেমিক্যাল গুদামে আগুন লাগছে। দ্রুত বের হয়ে ছাদে যান।’
গুদামের অনুমোদন ছিল না, তদন্তে কমিটি
ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক দেবাশীষ বর্ধন জানিয়েছেন, হাজী মুসা ম্যানশন নামে ঐ ভবনে থাকা কেমিক্যাল গোডাউনের লাইসেন্স দেয়নি ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। তবে সিটি করপোরেশন তাদের ট্রেড লাইসেন্স দিয়েছে কি না বিষয়টি যাচাই করে দেখা হবে। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ অবৈধভাবে এ কেমিক্যাল গোডাউন গড়ে উঠেছে। নিচতলায় কেমিক্যাল গোডাউন আর ওপরে মানুষের বসবাস, এর মানে অগ্নিকুণ্ডেই বসবাস। এজন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
গোডাউনের কেমিক্যালগুলোর ধরন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে এগুলো হ্যাজার্ডিয়াস কেমিক্যাল, বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল রয়েছে এখানে। আমরা যখন ঘটনাস্থলে প্রথম আগুন নেভাতে আসি কেমিক্যালগুলোর জন্য অনেক সমস্যা হয়েছে। যারা কেমিক্যালগুলো এখানে রেখেছেন, এ মৃত্যুর জন্য তারা দায়ী। আগুনের সূত্রপাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা তদন্তের পর জানা যাবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তাত্ক্ষণিক আমরা কিছুই বলতে পারছি না।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান বলেন, এটি অপরিকল্পিত কেমিক্যাল মার্কেট। এ ভবনে আমরা কোনো ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা দেখতে পাইনি। আগুনের ঘটনা তদন্তে চার সদস্যে কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে।
মুসা ম্যানশনের মালিক পুলিশি নজরদারিতে
বংশাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিন ফকির জানিয়েছেন, পুরান ঢাকার আরমানিটোলার হাজী মুসা ম্যানশনের মালিক মোস্তাক আহমেদ পুলিশি নজরদারিতে রয়েছেন। তিনি বলেন, হাজী মুসা ঐ ভবনের মালিক হলেও তিনি সেখানে থাকতেন না। তিনি ধানমন্ডিতে থাকেন। তার ওপরে আমরা সব ধরনের নজরদারি রাখছি। এ ঘটনায় যাদের গাফিলতি পাওয়া যাবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। ওসি আরো বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্বজনরা মামলা করতে চাইলে আমরা মামলা নেব। আর তারা যদি মামলা করতে রাজি না হন, তাহলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।
উদ্ধার হলো টিয়া পাখি
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা জানান, হাজী মুসা ম্যানশনে সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ অভিযানের শেষ দিকে গতকাল সকাল সাড়ে ৭টায় ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি টিয়া পাখির খাঁচা দেখতে পান তারা। এ সময় পাখিটি খাঁচায় ছটফট করছিল। পরে ল্যাডারের মাধ্যমে পাখিটি উদ্ধার করে নিচে নিয়ে আসেন তারা।
মুসা ম্যানশন সিলগালা
সাত পিকআপ রাসায়নিক অপসারণ
পুরন ঢাকার আরমানিটোলায় হাজী মুসা ম্যানশন থেকে সাত পিকআপ রাসায়নিক অপসারণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। গতকাল বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই ম্যানশনের নিচতলা এবং দ্বিতীয় তলা থেকে এসব রাসায়নিক অপসারণ করা হয়। পরে ছয় তলা ভবনটি সিলগালা করেছে ডিএসসিসি। রাসায়নিক অপসারণ কার্যক্রম তদারকিতে নেতৃত্ব দেন ডিএসসিসির অঞ্চল-৪-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হায়দার আলী।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ছয়তলা বাড়ির নিচ তলায় ১২টি রাসায়নিক দোকান এবং গুদাম ছিল। এসব দোকান পরিচালনায় সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার সার্ভিস ও বিস্ফোরক পরিদপ্তরের ছাড়পত্র ছিল না। এখন গুদাম এবং দোকানগুলোতে কীভাবে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তা জানা যায়নি। ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে ঝুঁকি এড়াতে ঐ ভবনের দোকান এবং গুদাম থেকে রাসায়নিকগুলো অপসারণ করা হয়েছে। এসব রাসায়নিক মাতুয়াইলে ডিএসসিসির ল্যান্ডফিলে পুঁতে ফেলা হবে।
ভবনটি সিলগালা করার আগে ভাড়াটিয়াদের অনেকেই নিজ ফ্ল্যাটে তালা দিয়ে গেছেন বলে জানান হায়দার আলী। তিনি বলেন, ভাড়াটিয়ারা নিজ নিজ ফ্ল্যাটে তালা দিয়ে গেছেন। এখন ভবনটিতে বিদ্যুত্ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে বাড়ির ভেতর এখনো ধোঁয়া এবং গরম আছে। ফায়ার সার্ভিস বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে।
বাড়ির মালিককে আটক করার বিষয়ে ডিএসসিসির অঞ্চল-৪-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আমরা বাড়ির মালিকের কোনো সন্ধান পাইনি। এ বিষয়ে ভাড়াটিয়ারা তেমন কিছু বলতে পারছে না। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইয়ের কর্মকর্তারা। গতকাল বিকালে পিবিআইয়ের একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় তারা ভবনের বিভিন্ন ফ্লোর ঘুরে দেখেন এবং আলামত সংগ্রহ করেন।