মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি বেড়েছে মানুষের ভিড়

ইত্তেফাক ডেস্ক

করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাই সংক্রমণ প্রতিরোধে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে সরকার তৃতীয় দফা বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু বিভিন্ন স্থানের হাটবাজার ও রাস্তায় বেড়েছে মানুষের ভিড়। তারা স্বাস্থ্যবিধিও মানছেন না। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।

রংপুর:রংপুর মহানগরীর হাটবাজার ও রাস্তায় শনিবারও ছিল স্বাভাবিক পরিস্থিতি। সকাল থেকেই রংপুর মহানগরীর প্রধান সড়কসহ অলিগলির রাস্তা হাজার হাজার রিকশা, অটো রিকশা, মোটরসাইকেল, সাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দখলে ছিল। মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে চেকপোস্ট বসিয়েও কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না যানবাহন চলাচল। মানুষ প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে ঢুকে পড়ছেন নগরীতে। সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই। অন্যদিকে নগরীর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন মাছের আড়ত, সিটি বাজার, ধাপ বাজারসহ সবখানেই দেখা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতায় ভিড়। কেউই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। কারো মুখে মাস্ক নেই। রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. আহাদ আলী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের ৩৭৬ জনের করোনা পরীক্ষা করে ৭৫৯ জনের পজিটিভ এবং তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদ জানিয়েছেন, ১২টি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশ যানবাহন ও মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। মানুষ জনের নিজে থেকে সাবধান হওয়া জরুরি

ঝিনাইদহ:ঝিনাইদহে মানুষ আগের মতোই ঘর থেকে বের হচ্ছেন। ঘোরাফেরা করছেন রাস্তায়। হাটবাজারগুলোতে ভিড় করে কেনাবেচা চলছে। অনেকের মুখে মাস্ক পর্যন্ত নেই। সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই। জেলা শহরে প্রশাসনের নজরদারির কারণে বিধিনিষেধ আংশিক কার্যকর হচ্ছে। জেলা শহরের বাইরের চিত্র ভিন্ন। শনিবার ছিল শৈলকুপা হাটের দিন। সরকারের নির্দেশমতো কাঁচা বাজার ফাঁকা স্থানে সরানো হয়নি। হাটে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়। এছাড়া সড়কে সিএনজি, প্রাইভেটকার, ইজিবাইক, ভ্যান ও রিকশা চলাচল করতে দেখা যায়। ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডাক্তার সেলিনা বেগম বলেন, প্রতিদিনই জেলায় মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। শনিবারও ছয় জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় ২ হাজার ৭৪১ জন করোনায় আক্রান্ত হলো। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে মানুষকে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তারা কোনোকিছু পরোয়া করছে না।