ঘুষ বাণিজ্য বন্ধ হোক

সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর সমাজের অসচ্ছল মানুষ নিয়ে কাজ করে। সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, ভাতা তাদের মাধ্যমে তৃণমূলে পৌঁছায়। বৃদ্ধভাতা, বিধবাভাতা, দুস্থভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা—এই ধরনের ভাতা বণ্টন ও ব্যবস্থাপনা, যাচাই-বাছাই করে। সমাজের কল্যাণে তারা রাখতে পারে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, কিছু অসাধু কর্মচারী ও কর্মকর্তার কারণে সেটা ব্যাহত হচ্ছে। তারা সাধারণ মানুষের কাছে এ সমস্ত কাজের জন্য ঘুষ বাণিজ্য বা কমিশন বাণিজ্য করছে। এতে মানুষের দুর্ভোগ কমার উদ্দেশ্য হাসিল হচ্ছে না। সরকার কিছুদিন আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দেওয়া রিপোর্ট আমলে নিয়ে সমস্ত ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে। *১৬৭# এই কোড ডায়াল করে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। কাজটি করে দেওয়ার জন্য তারা জনপ্রতি ২০০ টাকা করে নিচ্ছে। অনেকের নগদ খোলা আছে, তারপরও তার শিটে টিক চিহ্ন দিতে নিচ্ছে ২০০ টাকা। এভাবে ভাতার ফরম নিলেও ২০০ টাকা করে নেওয়া হয়। পটিয়া সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তর এভাবে মানুষকে হয়রানি করে যাচ্ছে। সরকারের কাছে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কার্যক্রম খতিয়ে দেখার অনুরোধ করছি। সাধারণ মানুষগুলো যাতে নির্বিঘ্নে তাদের প্রাপ্য সেবা গ্রহণ করতে পারে, সে সুযোগ করে দিন।

সিরাজুল মুস্তফা

পটিয়া, চট্টগ্রাম