সর্বাত্মক লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করে গতকাল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিংমল, দোকানপাট খুলে দিয়েছে সরকার। এ কারণে গত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় অব্যাহত ছিল ফেরিঘাটগুলোতে।
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটে গতকালও ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ ছিল। গণপরিবহন না থাকায় লোকজন প্রচণ্ড গরমে নানা বিড়ম্বনায়ও পড়ছে। লঞ্চ ও ট্রলার বন্ধ থাকায় যাত্রীরা দাঁড়িয়ে গাদাগাদি করেই পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন। তবে বিচ্ছিন্নভাবে ঘাটের বাইরে থেকে কিছু ট্রলার চলাচল করছে। বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়াঘাটের এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম জানান, যাত্রীদের সংখ্যা বাড়লেও অত্যাধিক চাপ পড়েনি। বহরে থাকা ১৬টি ফেরির মধ্যে ১০টি ফেরি সচল রয়েছে। চাপ বেশি বৃদ্ধি পেলে সব ফেরি সচল হবে। যাত্রী ছাড়াও ফেরি দিয়ে লকডাউনের আওতামুক্ত পণ্যবাহী যান ও ব্যক্তিগত যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। তবে গাদাগাদির ভিড়ে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) সংবাদদাতা জানান, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সড়ক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম রাজবাড়ীর-দৌলতদিয়া ঘাটে কয়েকটি বড় ফেরি নোঙর করে রয়েছে। ছোট ফেরিগুলোতে যানবাহনের সঙ্গে মোটরসাইকেল ও যাত্রী সাধারণ উঠে নদী পাড়ি দিচ্ছেন। প্রতিটি ফেরিতে গতকালও মানুষের ভিড় অব্যাহত ছিল। ঢাকামুখী অধিকাংশ যাত্রী বিভিন্ন দোকানপাটের শ্রমিক ও ব্যবসায়ী। ফরিদপুর থেকে আসা আনোয়ার হোসেন যাচ্ছেন সাভারে। সেখানে তিনি একটি দোকানে কাজ করেন। তিনি বলেন, মহাজন ফোন করেছে আজই দোকানে যেতে হবে। দোকানে গিয়ে সব ঝাড়পোছ করে বেচাকেনা শুরু করতে হবে। বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. ফিরোজ শেখ বলেন, ১৭টি ফেরির মধ্যে একটি বিকল হয়ে আছে।