শীতলক্ষ্যায় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে নদী পার

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ করোনার হটস্পট হলেও স্বাস্থ্যবিধি এখানে একেবারেই মানা হচ্ছে না। লকডাউন চলাকালে কিছুটা বিধিনিষেধ মেনে শহরে সাধারণ মানুষ চলাচল করলেও  গত কয়েকদিন তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রবণতা নেই বললেই চলে। রাস্তাঘাটে মাস্কবিহীন মানুষের সংখ্যাই বেশি। চলছে বিভিন্ন এলাকায় আড্ডা। নৌকা পারাপারে বিধি নিষেধ তো দূরের কথা গাদাগাদি করে শীতলক্ষ্যা পার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। অথচ নারায়ণগঞ্জে করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই অর্ধশতাধিক আক্রান্ত শনাক্ত হচ্ছে। মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে প্রতিদিন। কিন্তু এর মধেও নেই কোনো সর্তকতা। এক সঙ্গে শতাধিক মানুষ গাদাগাদি করে শীতলক্ষ্যা নদী পার হচ্ছে। যাদের অনেকেরই মুখে মাস্ক নেই। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে এভাবে নদী পাড়ি দেওয়ায় করোনা সংক্রমণ আরো বাড়তে পারে এমনটাই আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিভাগ।

সেন্ট্রাল খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন নদী পারাপার হওয়া যাত্রী বশির উদ্দিন বলেন, ‘সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে আগে চারটি ফ্রি ট্রলার নিয়মিত চলাচল করত। এর সঙ্গে আটটি ভাড়ায় চলত। করোনার অজুহাতে ফ্রি ট্রলার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ছোট আট ট্রলার দিয়ে এখন ভাড়ায় যাত্রী পারাপার করছে। ফলে একসঙ্গে অনেক যাত্রী হয়ে গেলে এ ভিড় হয়।’ নয়ন মণি বলেন, ‘এক বছরের বেশি সময় ধরে ফ্রি ট্রলার বন্ধ করে রেখেছে। করোনার অজুহাতে ফ্রি ট্রলার বন্ধ করে রাখতে পারে। কিন্তু তাদের ভাড়ায় চালিত ট্রলার ঠিকই চলে। এসময় কোনো করোনা ছড়ায় না।’ তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত আর বিকাল ৫টা থেকে ৭টা পর্যন্ত দুইবার সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে যাত্রীদের এ ভিড় হয়। কারণ এ সময়ে পোশাক কারখানার, হোসিয়ারি, বিভিন্ন দোকানের শ্রমিকেরা পারাপার হন। ফলে এ ভিড় হয়। ফ্রি ট্রলার চালু হলে এ ভিড়টা থাকে না।’