দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রতিদিনই হারছে পাকিস্তানের বেলুচিস্তান। দ্য ফ্রন্টিয়ার পোস্টের একটি নিবন্ধে খালেক নজর কিয়ানী বলেন, বেলুচিস্তানে শাসন ব্যবস্থা আদর্শ নয়, আসল সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা হয় না। দুর্নীতি রয়েছে এবং জবাবদিহিতার কোনো আশা নেই।
মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) এসব তথ্য জানিয়েছে ইয়াহু নিউজ। ফ্রন্টিয়ার পোস্টে আরো বলা হয়, ২০১৭-১৮ থেকে ২০২০-২১ সালের চারটি প্রাদেশিক বাজেট খতিয়ে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় কীভাবে বেলুচিস্তান এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই চার বছরে ফেডারেল রিসিপ্টস বেড়েছে ৩২ শতাংশ। একইসময়ে অ-উন্নয়নমূলক ব্যয় বেড়েছে ৬১ শতাংশ। প্রাদেশিক সরকার বর্তমান অর্থবছরে ঘাটতি দেখিয়েছে ৬৫ হাজার ৮০০ মিলিয়ন রূপি। কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আয় ৩৪০,৩১২ মিলিয়নে পৌঁছাবে বলে তারা উচ্চ আশা প্রকাশ করেছে। তবুও ইতিহাস আমাদের বলে, এই লক্ষ্যগুলি কখনই অর্জিত হবে না।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বেলুচিস্তানের সব অর্থনৈতিক সূচকই দুর্বল। আইএমএফের রিপোর্ট অনুসারে, বেলুচিস্তানের জিডিপি আট দশমিক তিন বিলিয়ন ইউএসডি। এটা খাইবার পাখতুনওয়া প্রদেশের তিন ভাগের একভাগ। পাখতুনওয়ার জিডিপি ইউএসডি ২৬ দশমিক দুই বিলিয়ন।
আরো বলা হয়, বেলুচিস্তানে বেকারত্বের অনুপাত অনেক বেশি। এখানে সরকারই একমাত্র বড় চাকরিদাতা। শিল্প প্রবৃদ্ধি কেবলমাত্র জেলা লাসবেলার একটি উপ-বিভাগের মধ্যে সীমাবদ্ধ। শূন্য গবেষণাসহ কৃষি সবচেয়ে অবহেলিত ক্ষেত্র এবং কৃষকদের কাছে আধুনিক কৃষি কৌশল পৌঁছে দেওয়ার কোনো প্রচেষ্টাও নেই। বেসরকারী বিনিয়োগকে আকর্ষণ করার জন্য কোনো চেষ্টাও করা হয়নি।
ইত্তেফাক/এসএ