ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন স্থানে মাঠ ভরে গেছে পাকা ধানে। শ্রমিকের অভাবে ধান কেটে ঘরে তুলছে পারছেন না কৃষকরা। এক সঙ্গে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় শ্রমিকের মজুরিও চড়ে গেছে। ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলার ছয় উপজেলায় ৮০ হাজার ২৮৪ হেক্টরে বোরো ধানের চাষ হয়। ১৫-২০ দিন আগে আগাম চাষ করা ধান কাটা শুরু হয়। বর্তমানে খাবারসহ শ্রমিকের দৈনিক মজুরি সাড়ে ৫০০ টাকা থেকে সাড়ে ৬০০ টাকা পর্যন্ত হয়েছে। আবার চুক্তিভিত্তিতে এক বিঘা জমির ধান কাটা ও আঁটি বাধার জন্য ৩ হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া মাঠ থেকে কাটা ধান বাড়ি আনতে প্রতি ১০০ আটি পিছু পাঁচ আঁটি করে ধান গাড়ি ভাড়া দিতে হচ্ছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না গ্রামের সাইফুল ইসলামসহ কয়েক জন কৃষক জানান, মাঠে পাকা ধান রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। ঝড় বা শিলাবৃষ্টি হলে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। ধান কাটা শ্রমিকের মজুরিও বেড়ে গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঝিনাইদহের উপ-পরিচালক মো. আজগর আলি জানান, এরই মধ্যে অর্ধেক ধান কাটা হয়েছে। কিন্তু শ্রমিকের অভাব দেখা দিয়েছে। চাষিদের দ্রুত ধান কেটে বাড়ি আনার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।