নির্বাচনের পর জামায়াত-বিএনপির হামলায় আহত ইয়াসিন আলি মারা গেছেন

শিবগঞ্জে নির্বাচন উত্তরকালে জামায়াত বিএনপির হামলায় আহত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা ইয়াসিন আলী ওরফে ফিটু সরকার। ঘটনার ১৯দিন পর ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে তিনি মারা গেছেন।

মৃত ইয়াসিন আলি ফিটু সরকার শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের লহালামারী গ্রামের মৃত নায়েব আলি সরকারের ছেলে ও চককীর্তি ইউপির ৬নং ওয়ার্ড সদস্য।

নিহতের জামাই মারুফ জানান, ‘গত ১০ জানুয়ারি সকাল ১১টার দিকে ইয়াসিন আলি ওরফে ফিটু সরকার আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের নিয়ে মাইক্রোবাসে করে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সামিল উদ্দিন আহমদকে অভ্যর্থনা জানাতে শিবগঞ্জ আসছিলেন। এ সময় লহালামারী এলাকায় জামায়াত-বিএনপির একটি সন্ত্রাসী দল তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র দিয়ে  উপুর্যপরি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে মারা যান।’

তার মুত্যুর সংবাদ শোনামাত্র সংসদ সদস্য ডাক্তার সামিল উদ্দিন আহমদ শিমুল সেখানে ছুটে  গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করেন। তার মূত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। 

বর্তমানে তার  মরদেহ  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সেখানে ময়না তদন্ত শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। 

আরও পড়ুন: মাদক রাখতে না দেওয়ায় বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শিকদার মোহাম্মদ মশিউর রহমান জানান, ‘এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৫জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’

ইত্তেফাক/নূহু