প্রবাস জীবনে থাকলেও দেশের টানে মাঝে মাঝেই ফিরে আসেন। এবার আসার উদ্দেশ্য কী ছিল?
আমি দেশের বাইরে থাকলেও মন কিন্তু পড়ে থাকে এখানেই। কিছুদিন আগেও আমি দেশের এসেছিলাম আমার ‘মা’ মারা যাওয়ার কারণে। এবারো এসেছি পারিবারিক প্রয়োজনে।
দেশে এসে নতুন কোনো কাজ করেছেন কী?
না, নতুন কোনো কাজ করা হয়নি। বেশ কয়েকটি কাজের প্রস্তাব পেয়েছি, কিন্তু করোনা আর গরমের কারণে করা হয়ে ওঠেনি। তাছাড়া কাজের কোনো পরিকল্পনাও ছিল না।
পুরনো অনেক কলিগের সঙ্গে দেখা করেছেন। তাদের সঙ্গে আড্ডা বা ভালোলাগার গল্প শুনতে চাই—
অনেকের সঙ্গে প্রায় ১২-১৩ বছর পর দেখা হলো। এটা অন্যরকম ভালোলাগার। মনে হয়েছে সেই আগের সময়, মানে যখন নিয়মিত কাজ করতাম সেই সময়ে ফিরে গেছি। এবারের ট্যুর আমার জন্য বিশেষ ছিল।
অভিনয় থেকে নিজেকে অনেক দূরে রেখেছেন। কখনো কী আগের শ্রাবন্তী রূপে ফেরার ইচ্ছে জাগে?
এটা হয়তো সম্ভব নয়। পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণে অনেক সময় অনেককিছু ইচ্ছে থাকলেও সম্ভব হয়ে ওঠে না। আগে তো একা ছিলাম, নিজের মতো করে কাজ করতে পারতাম। কিন্তু এখন তো সন্তান রয়েছে, সেদিকে সময় দিতে হয়। তবে কখনো সময়-সুযোগ হলে কিছু কাজ হয়তো করতেও পারি।
বর্তমান সময়ের নাটক দেখার সময় পান? সময়ে পেলে কাদের কাজ দেখেন?
লম্বা সময় নিয়ে নাটক খুব কমই দেখা হয়। তবে মেহজাবীন, নিশো, অপূর্বর কাজ দেখা হয় মাঝে মাঝে।
আপনাদের সময়ের নাটকের মান ছিল প্রশংসা করার মতো। কিন্তু বর্তমানে এ নিয়ে নেতিবাচক আলোচনা চলছে। একজন সিনিয়র শিল্পী হিসেবে কী মন্তব্য করবেন?
একটা বিষয় খুবই খারাপ লাগে যে, আমরা যেমন ‘একান্নবর্তী’ নাটকে যে ঝগড়া করতাম সেই ঝগড়া এখন বেশিরভাগ নাটকেই দেখা যায়। কিন্তু কেন সব নাটকেই এমন করতে হবে! এখন অনেকেই বলেন যে, তোমাদের নাটক দেখার মতো ছিল, কিন্তু এখনকার নাটক দেখার মতো না। এটা শুনতেও খারাপ লাগে।
সাক্ষাত্কার: এ এম রুবেল