হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় করা সহিংসতা ও ধর্ষণসহ পৃথক তিনটি মামলায় ২৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গতকাল রবিবার সোনারগাঁও থানায় দায়ের করা মামুনুলের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীর মামলায় পুলিশ ১০ দিনের, রয়েল রিসোর্ট কাণ্ডে সাত দিনের ও উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস ভাঙচুর মামলায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম এ তথ্য জানান।
এর আগে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, প্রতারণা, নির্যাতনের অভিযোগ এনে গত ৩০ এপ্রিল মামলা করেন মামুনুলের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী। লিখিত অভিযোগে ঐ নারী জানান, ‘বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর মামুনুল হক আমাকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে ঢাকায় আসতে বলেন। তার পরামর্শে ঢাকায় একটি বাসায় সাবলেট হিসেবে ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকি এবং তার ঠিক করে দেওয়া একটি বিউটি পার্লারে কাজ শিখতে থাকি। আমার আনুষঙ্গিক খরচ তিনি দিতেন। গত দুই বছর বিয়ে করব, করছি বলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। গত ৩ এপ্রিল রয়েল রিসোর্টে স্থানীয়দের হাতে আকস্মিক আটক হই। পরবর্তীতে মামুনুল হকের অনুসারীরা রিসোর্ট থেকে আমাদের নিয়ে যায়। এরপরে মামুনুল হক আমাকে তার পরিচিত একজনের বাসায় আটকে রাখেন। পরে কৌশলে আমার বড় ছেলেকে উদ্ধারের জন্য আইনের আশ্রয় নিতে বলি।’
এর আগে ঐ নারীর বাবা ২৬ এপ্রিল মেয়েকে উদ্ধারে পুলিশের সহায়তা চেয়ে কলাবাগান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরদিন মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। উদ্ধার হওয়ার তিন দিনের মাথায় এই মামলা করা হয়।