নারায়ণগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে কেনাকাটায় ধুম

খুশি ক্রেতা-বিক্রেতা, উদ্বেগে বিশেষজ্ঞ

হাবিবুর রহমান বাদল, নারায়ণগঞ্জ

নগরীতে ঈদের কেনাকাটায় ধুম পড়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতায় মুখরিত বিপণিবিতান। দম ফেলার সময় নেই ফুটপাতের দোকানিদের। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মানুষ বেশি ছুটছেন এসব দোকানে। গতকাল সোমবার নগরীর বিভিন্ন বিপণিবিতান ও মূল সড়ক ঘুরে এমন দৃশ্যে দেখা যায়। যেখানে বিক্রেতারা ভেবেছিল লকডাউনের কারণে তাদের লোকসানের কথা, সেখানে জমজমাট চলছে তাদের ব্যবসা। নগরীর অনেক মার্কেটেই ছিল ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। দোকানে জায়গা না পেয়ে, বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতেও দেখা গেছে ক্রেতাদের। একই অবস্থা ফুটপাতের দোকানগুলোতেও। গতকাল ক্রেতার চাপ এতই বেশি ছিল যে ঐসব রাস্তায় হাঁটাও ছিল দায়। জুতা থেকে শুরু করে শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, শাড়ি, থ্রি-পিস, কসমেটিকস, পারফিউম এমন কোনো দোকান নেই; যেখানে ভিড় ছিল না।

সমবায় মার্কেটের এক ব্যবসায়ী এই প্রতিবেদককে জানান, ‘আগেরবারের লকডাউনের ধাক্কাও ঠিকমতো সেরে উঠতে না উঠতেই আবারও যখন লকডাউনের ঘোষণা করা হয়েছিল, তখন ভেবেছিলাম এবার হয়তো সব গেল। লাখ লাখ টাকার পণ্য আগে থাকতেই কিনে রেখেছিলাম। লকডাউনের পর ভাবতে পারিনি এ রকম বেচাকেনা হবে। ক্রেতার পরিমাণ অনেক বেশি। আগের বার যে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল, এবার তা হবে না’। ঈদের নতুন পোশাক কিনতে  আসা এক নারী জানান, গত বছর লকডাউনের কারণে ঈদটা উদ্যাপন করা হয়নি। এবার দেখি যদি একটু ভালোভাবে ঈদটা কাটাতে পারি।  যদিও কেনাবেচার চলছে ধুম, কিন্তু বেশির ভাগ স্থানেই দেখা যায়নি মাস্কের সঠিক ব্যবহার। দেখা যায়নি স্বাস্থ্য-সচেতনতা। এ রকমভাবে চলতে থাকলে করোনার সংক্রমণ আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের আরো নজরদারি বাড়ানো উচিত বলে মনে করছেন তারা।