স্পোর্টস রিপোর্টার
শ্রীলঙ্কা সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ হেরে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। গতকাল বিশেষ ফ্লাইটে কলম্বো থেকে বিকাল সাড়ে ৩টায় ঢাকায় পৌঁছায় মুমিনুল হকের দল। শ্রীলঙ্কায় পুরো দল ছিল জৈব সুরক্ষা বলয়ে। সর্বশেষ করোনা পরীক্ষায় সবাই নেগেটিভ ছিলেন। দেশে ফিরে তাই প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে যেতে হয়নি ক্রিকেটারদের। বিমানবন্দর থেকে ক্রিকেটাররা নিজেদের বাসায় চলে গেছেন। তবে তিন দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে সবাইকে।
শ্রীলঙ্কা সফরে সিরিজ হারের ধকল ভুলে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ দল। বিমানবন্দরে হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলেছেন, হারলে সমালোচনা হবেই। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ভালো কিছুর আশা করছেন এই প্রোটিয়া কোচ।
ক্যান্ডিতে স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট ড্র করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্টে লঙ্কান ঘূর্ণিজালে কাবু হয়ে ২০৯ রানে হেরে যায় মুমিনুলরা। তারপরও সফরে অনেক ইতিবাচক দিক দেখছেন ডমিঙ্গো। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয় ছেলেরা প্রথম টেস্টে খুব ভালো খেলেছে। দ্বিতীয় টেস্টে টস খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ উইকেটে স্পিন হচ্ছিল। আমাদের বোলাররা লড়াই করেছে। যদিও রেজাল্ট আমাদের পক্ষে আসেনি।’
লঙ্কানদের বিরুদ্ধে হোম সিরিজের জন্য প্রাথমিক দলের অনুশীলন শুরু হয়েছে গত ২ মে। লঙ্কাফেরত ক্রিকেটাররা যোগ দিবেন ৭ মে। হোম ভেন্যুতে ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই জয়ের রথে ফেরার আশায় আছেন ডমিঙ্গো। তিনি বলেছেন, ‘ঈদের ছুটির আগে খেলোয়াড়রা তিন দিন অনুশীলন করবে। সাকিব-মুস্তাফিজকে পাওয়াটা দারুণ, যখন তারা ফিরবে। পরের সিরিজটা আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ বাছাইপর্বের (বিশ্বকাপ) পয়েন্ট সংগ্রহের জন্য। নিউজিল্যান্ডে কঠিন সিরিজের পর আমাদের ঘুরে দাঁড়াতেই হবে।’ ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে হারানো সহজ হবে না। লঙ্কানদের বিপজ্জনক দল হিসেবেই অবহিত করলেন ডমিঙ্গো। তিনি বলেছেন, ‘আবার হোম কন্ডিশনে খেলতে পারা ভালো বিষয়। আমরা খুবই বিপজ্জনক দলের বিরুদ্ধে খেলব। তাই তাদের হারাতে আমাদের সত্যিই ভালো খেলতে হবে।’ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টানা ১০ ম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। হারের পর ধেয়ে আসা সমালোচনাকে স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন টাইগারদের হেড কোচ। গতকাল বলেছেন, ‘আপনি যখন হারবেন তখন প্রশ্ন আসবে। আমাদের এটার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের আগে আমরা পূর্ণ প্রস্তুত এটা নিশ্চিত করতে হবে। অতীত থেকে শেখা এবং ভবিষ্যতে ফোকাস করা গুরুত্বপূর্ণ।’