স্পোর্টস রিপোর্টার
রাসেল ডমিঙ্গোর অধীনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাজে সময় কাটছে বাংলাদেশের। তিন ফরম্যাটেই সংগ্রাম করছে বাংলাদেশ দল। ২০১৯ সালের ১৭ আগস্ট দুই বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশের হেড কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই কোচ। চলতি বছর আগস্টে তার সঙ্গে বিসিবির চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।
প্রোটিয়া এ কোচের অধীনে গত দুই বছরে তিন ফরম্যাটে ৩২ ম্যাচ খেলে ১৮টি হেরেছে বাংলাদেশ। জয় ১৩টি, ড্র একটি। নিউজিল্যান্ড সফরে টানা ছয় ম্যাচ হারের পরই বিসিবিতে ডমিঙ্গোকে নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। হেড কোচ হিসেবে তার পারফরম্যান্স বিসিবির মূল্যায়নের টেবিলে চলে এসেছে। অপেক্ষা ছিল শ্রীলঙ্কার সফরের ফলাফল দেখার। সেখানেও অধরা জয় পেল না বাংলাদেশ। প্রথম টেস্ট ড্র করলেও সিরিজটা ১-০ তে হেরেছে মুমিনুল বাহিনী।
টানা ১০ ম্যাচ জয়হীন বাংলাদেশ দলের কোচ হিসেবে ডমিঙ্গোর চাকরি হুমকিতে পড়াই স্বাভাবিক। যদিও গতকাল বিমানবন্দরে প্রোটিয়া এ কোচ বলেছেন, চাকরি নিয়ে শঙ্কিত নন তিনি। বরং এখন কাজটা আগের চেয়ে বেশি উপভোগ করছেন।
হেড কোচের চাকরি নিয়ে চিন্তিত কি না, জানতে চাইলে গতকাল ডমিঙ্গো বলেছেন, ‘আসলে তা নয়। আমি খেলোয়াড়দের সঙ্গে, এই কাঠামোর সঙ্গে কাজটা উপভোগ করছি। অবশ্যই এখানে অনেক কাজ বাকি। আমার মনে হয় গুরুত্বপূর্ণ হলো চেষ্টা করা এবং ঘরোয়া ক্রিকেটের দিকে নজর দেয়া। যখন আমরা থাকি না তখন ক্রিকেটাররা কি সুযোগ-সুবিধা পায়। অবশ্যই এখানে রেজাল্ট খুব ভালো নয়। কিন্তু আমি দলের সঙ্গে ভালোভাবে যুক্ত হতে পারছি এখন এবং আমি সামনে এগিয়ে যেতে আত্মবিশ্বাসী।’
কলম্বো থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা যেতে চেয়েছিলেন ডমিঙ্গো। বিসিবি তার ছুটি বাতিল করেছে। করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গতকাল দলের সঙ্গে ঢাকায় ফিরতে হয়েছে তাকে। তাছাড়া চলতি মাসেই ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।