রয়টার্স
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন জানিয়েছেন, তিনি সামনের গ্রীষ্মই দীর্ঘদিনের সঙ্গী ক্লার্ক গেফোর্ডকে বিয়ের পরিকল্পনা করছেন। ২০১৯ সালে তারা বাগদান সেরে নিয়েছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
স্থানীয় কোস্ট রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে বিয়ের পরিকল্পনার কথা জানালেও তারিখ বলেননি নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড আরডার্নকে উদ্ধৃত করে বলেছে, ‘আমরা দুজন অবশেষে বিয়ের একটি তারিখ পেয়েছি।’ ঘটা করে বিয়ে না করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। ‘ব্রাইডাল পার্টি করার মতো বয়সের চেয়ে খানিকটা বেশি বয়স হয়ে গেছে বলেই মনে হয় আমার’ সাক্ষাত্কারে ৪০ বছর বয়সি আরডার্ন এমনটাই বলেছেন বলে জানানো হয়েছে ঐ প্রতিবেদনে।
আরডার্নের সঙ্গী গেফোর্ডের বয়স ৪৪। এ যুগলের দুই বছর বয়সি একটি মেয়েও আছে। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক মুখপাত্র বুধবার রয়টার্সকে বলেছেন, ‘আজ সকালের প্রতিবেদনে যা জানানো হয়েছে তার সঙ্গে নতুন করে যোগ করার মতো কিছু নেই।’ আরডার্ন প্রথম বার প্রধানমন্ত্রী হন ২০১৭ সালে; তিনিই দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে এ পদে বসেন। পরের বছরই তার কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। আরডার্নের আগে কেবল পাকিস্তানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোই প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে মা হয়েছিলেন। কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় তার সরকারের অসামান্য সাফল্য আরডার্নকে ফের ক্ষমতায় নিয়ে আসে। গত বছরের অক্টোবরের নির্বাচনে তার মধ্য-বামপন্থি লেবার পার্টি অর্ধশতকে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়ে জয়লাভ করে।