যোগাযোগের নতুন ওয়েবসাইট চালু করলেন ট্রাম্প

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের মত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে না পারায় যোগাযোগের নতুন ওয়েবসাইট চালু করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। টুইটার, ফেসবুক ও ইউটিউবে তাকে নিষিদ্ধ করার পর এ সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রাম্প। ফেসবুক তার পোস্ট দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির বোর্ড বিষয়টি ছয় মাসের মধ্যে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। খবর বিবিসি ও আলজাজিরার

ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নতুন যোগাযোগের ওয়েবসাইটের যাত্রা শুরু করেছেন। এই ওয়েবসাইটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফ্রম দ্য ডেস্ক অব ডোনাল্ড জে ট্রাম্প’। বলা হচ্ছে, এই ওয়েবসাইটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডেস্ক থেকে সরাসরি বিষয়বস্তু প্রকাশিত হবে। গত জানুয়ারিতে কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সমর্থকদের দাঙ্গার পর তাকে টুইটার নিষিদ্ধ করে। টুইটারে ট্রাম্পের প্রায় ৯ কোটি অনুসারী ছিল। এ ছাড়া ফেসবুক ও ইউটিউব ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে। তখন থেকে সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। এখন নতুন ওয়েবসাইটে তার এসব বক্তব্য প্রকাশিত হবে। ব্যবহারকারীরা এখানে পোস্টগুলোতে লাইক দিতে পারবেন এবং এগুলো টুইটার ও ফেসবুকে শেয়ার করতে পারবেন।

ট্রাম্পের সিনিয়র উপদেষ্টা জেসন মিলার গত মার্চে বলেছিলেন,  ট্রাম্পের এই নতুন সোশ্যাল মিডিয়া হবে অনেক বড় মাপের। কিন্তু মঙ্গলবার মিলার এক টুইট বার্তায় বলেন, তিনি আগে যে ধারণা দিয়েছিলেন, নতুন এই ওয়েবসাইট সে ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফরম নয়। এ-সংক্রান্ত আরো তথ্য নিকট ভবিষ্যতে আসবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্যাম্পেইন ম্যানেজার ব্র্যাড পার্সক্যালের ডিজিটাল সার্ভিসেস কোম্পানি এই ওয়েবসাইট তৈরি করেছে।

ফেসবুকে নিষিদ্ধই থাকছেন ট্রাম্প

ফেসবুক ট্রাম্পের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে। এর ২০ সদস্যের একটি প্যানেলের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। তবে প্যানেল ছয় মাসের মধ্যে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। গত ৭ জানুয়ারি ফেসবুকের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে বোর্ড। তবে বোর্ডের কো-চেয়ারম্যান মাইকেল ম্যাককোনেল বলেন, এক ব্যক্তির ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখাটা সঠিক নয়। আর সেটি আন্তর্জাতিক এবং আমেরিকার নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই বিষয়টি ছয় মাসের মধ্যে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে বোর্ড। ফেসবুকের বৈশ্বিক যোগাযোগবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট নিক ক্লেগ বলেছেন, ফেসবুক এখন বোর্ডের সিদ্ধান্ত বিবেচনা করবে। তবে ট্রাম্প ফেসবুকে নিষিদ্ধই থাকছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।