ইত্তেফাক রিপোর্ট
পিপলস লিজিংয়ের মতো বহুল আলোচিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের অনেক গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এখনো ফ্রিজ অবস্থায় রয়েছে। ফলে খেলাপি গ্রাহকরা ব্যাংকের চেক দিলেও তা নগদায়ন হচ্ছে না। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাহকের কাছ থেকে যোগাযোগের জনবল না থাকায় স্থবির অবস্থায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
জানা গেছে, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের কয়েক জন খেলাপি গ্রাহক ঋণের টাকা ফেরত দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন। ইতিমধ্যে খেলাপি গ্রাহকরা প্রায় ৪০ কোটি টাকার চেকও দিয়েছে। তবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নিষেধাজ্ঞার কারণে তা নগদায়ন হচ্ছে না। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ আবেদ হাসানসহ শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আটক হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়ে। ফলে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারছে না।
প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান এ বিষয়ে বলেন, আমরা নতুন এমডি, ডিএমডি নিয়োগ দেওয়ার জন্য কয়েক জনকে প্রাথমিকভাবে ঠিক করেছি। দ্রুতই এসব নিয়োগ সম্পন্ন হবে। তখন আশা করা যায় অন্য সমস্যাগুলোর সমাধান করা যাবে। আর চেক নগদায়নের বিষয়ে দুদককে অবহিত করা হয়েছে যেন সেগুলো আমরা নগদায়ন করতে পারি।
জানা গেছে, গ্রাহকদের মধ্যে যারা ঋণের টাকা ফেরত দিচ্ছে, তাদের মধ্যে লিপরো ইন্টারন্যাশনাল ১২৫ কোটি টাকার ঋণের বিপরীতে ৮ কোটি টাকার চেক জমা দিয়েছে। এমটিবি মেরিন তাদের ৯৪ কোটি টাকার ঋণের বিপরীতে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার চেক জমা দিয়েছে।