আমার জানা ছিল না যে শেষ পর্যন্ত গানের মালিকানা আসলে সুরকারের। যে লিখলো বা যে গাইলো, শেষ পর্যন্ত তারা কিছুই না। তাদের অনুমতি লাগে না। গীতিকার না লিখলে সেটা সুর করার প্রশ্নই ওঠে না। শিল্পী না গাইলে গানটি মানুষের কাছে পৌঁছে না। অথচ এ দুই পক্ষ গানের মালিকানাই পেল না। আমি খুব মন খারাপ করে বিষয়টি মেনে নিয়েছি। রীতিমতো নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছিল। সব মানুষ আমাকে ঠকিয়েছে। আমাকে দিয়ে গান গাইয়ে নিয়েছে, কোটি কোটি ভিউ হয়েছে, অনেক টাকা রোজগার করেছে। কেউ কোনোদিন ধন্যবাদ দিয়ে বলেনি যে আপা, আসেন এক কাপ কফি খেয়ে যান। তোজাম্মেল হক বকুল ‘পাগল মন’ গানটি চাইলো, গাইলাম, ছবির নামটা পর্যন্ত বদলে ফেললো, আমাকে কিছুই দেয়নি। ‘রেললাইন বহে সমান্তরাল’ গানটির জন্য কেউ বাবু ভাইয়ের স্ত্রীকে একটা টাকাও দেয়নি। এ অঙ্গনের কিছু মানুষ কেবল নিতেই জানে, দিতে জানে না।
নিজের গানের মালিকানা না পাওয়া প্রসঙ্গে
সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান