নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা
নিকলী উপজেলায় এলজিইডির আওতাধীন মাইজহাটির সামনের রাস্তা দিয়ে চলাচলে প্রায় সাত বছর ধরে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী। জানা গেছে, ২০১৩/২০১৪ অর্থবছরে এলজিইডির ৮১০ মিটার দীর্ঘ ব্লক রাস্তটির কাজ সম্পন্ন হয়। কিন্তু রাস্তার কাজ মানসম্মত না হওয়া এবং এর পাশে পুকুর থাকায় অল্প দিনেই ভেঙে যায় এটি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সাবেক বিদ্যুত্ অফিসের সামনে থেকে নিকলী উপজেলার পুরাতন বাজারে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন নিকলী উপজেলার মাইজহাটি, ষাইটধার, গাবতলা, চামারটুলা, গোবিন্দপুর, সাহাপাড়া, তালাপপাড়, পশ্চিম হাটি, পালপাড়া, রামেশ্বর হাটি, খালিশাহাটির লোকজন। এখন রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে যাওয়ায় নিকলী সদরে যেতে হাসপাতালের সামনের রাস্তা ব্যবহার করতে হচ্ছে। এলাকাবাসী জানায়, প্রায় ১৫ হাজার লোক এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করত। কৃষকরা তাদের উত্পাদিত ফসল বিক্রি করার জন্য এই রাস্তা দিয়েই পুরান বাজার ও নতুন বাজারে যাতায়াত করতেন। নিকলী উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আলী হোসেন বলেন, ‘বিভিন্ন মিটিংয়ে রাস্তাটির বিষয়ে কথা বলেও কাজ হয়নি। বিভিন্ন স্থানে যখন উন্নয়ন হচ্ছে তখন, নিকলী উপজেলায় এই ভাঙা রাস্তা মেনে নেওয়া যায় না।’ নিকলী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কারার শাহরিয়া আম্মেদ তুলিপ বলেন, ‘আমি ঐ রাস্তার ব্যাপারে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন কয়েক দিনের মধ্যে রস্তাটি মেরামত করা হবে।’ উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল গণি ইত্তেফাককে বলেন, ‘টাকা বরাদ্দ না পেলে আমি কাজ করব কী করে! বরাদ্দ পেলে রাস্তাটির কাজ করা হবে।’