কালবৈশাখী ঝড়ে দিনাজপুরের কয়েকটি গ্রামে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

আম-লিচুসহ ফসলের ক্ষতি

 স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর

প্রায় আধা ঘণ্টার কালবৈশাখী ঝড়ে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ ও খানসামা উপজেলার কয়েকটি গ্রামের বেশকিছু কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া ভেঙে পড়েছে অসংখ্য গাছ এবং আম-লিচুসহ ফসলের ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পর হঠাত্ এ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়।

প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী ঐ ঝড়ে বীরগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর ও শতগ্রাম ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের বেশকিছু কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়, ভেঙে পড়ে অসংখ্য গাছ। এছাড়াও মাঠের ভুট্টাখেত, আম ও লিচুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মোহনপুর ইউনিয়নের ভুল্লিরহাটে একটি বিশাল গাছ রাস্তার ওপর ভেঙে পড়ায় বীরগঞ্জ-ঝাড়বাড়ী সড়কের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। শনিবার ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ সরালে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ঝড়ের পর শনিবার পর্যন্ত বিদ্যুিবহীন রয়েছে ঐ এলাকা। স্থানীয় ইউপি সদস্য মাজেদুল ইসলাম জানান, ঝড়ে এলাকার বাড়িঘর, গাছ, ফসল এবং আম ও লিচুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  বীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মো. আসাদুজ্জামান জানান, ঝড়ে ক্ষতি নিরূপণ চলছে। অন্যদিকে খানসামা উপজেলার আঙ্গাপাড়া ইউনিয়নেও কালবৈশাখী ঝড়ে অন্তত ৫০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও ভেঙে পড়েছে বেশকিছু গাছ এবং ভুট্টাখেত, আম ও লিচুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে দিনাজপুর সদর, বীরগঞ্জ, কাহারোল, চিরিরবন্দর ও বিরল উপজেলায় শনিবার ভোরে বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টি হয়। কয়েক দিনের দাবদাহে অতিষ্ঠ দিনাজপুরবাসী মুষল ধারে বৃষ্টি হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। বৃষ্টিতে শিশু-কিশোরদের ভিজতে দেখা যায়। শহরের মডার্ন মোড়ের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী জানান, টানা দাবদাহে অস্থির হয়ে পড়েছিলাম। এবার মুষল ধারে বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে।