উত্পাদন হবে ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার টন চাল
বিমল সাহা, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
চলতি মৌসুমে সারা দেশে ১৩ লাখ ৩০ হাজার হেক্টরে আউশ ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। আর আউশ উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫৮০ টন (চাল)। ইতিমধ্যে অউশ চাষ শুরু হয়ে গেছে। তবে অনেক জায়গায় পরিমাণ মতো বৃষ্টির অভাবে চাষ ব্যাহত হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঢাকার খামারবাড়ি প্রধান কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর (২০২০-২০২১) সারা দেশে ১৩ লাখ ৪ হাজার ৯৯৮ হেক্টরে আউশ ধানের চাষ হয়েছিল। আউশের উত্পাদনের পরিমাণ ছিল ৩২ লাখ ৮৪ হাজার ৭১০ টন (চাল)। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের ক্রপস উইং সূত্রে জানা যায়, এবার হাইব্রিড আউশ চাষ করা হবে ৬০ হাজার হেক্টরে। উত্পাদনের পরিমাণ ধরা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৩০০ টন। উচ্চ ফলনশীল জাত চাষ করা হবে ১১ লাখ ৬৫ হাজার হেক্টরে। উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে ৩১ লাখ ২২ হাজার ২০০ টন। আর দেশি জাতের আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার হেক্টরে। উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮০ টন। একসময় দেশে আউশ ধানের আবাদ বেশি হতো। ফলন কমের কারণে চাষিরা আউশ চাষ কমিয়ে অন্য ধানের চাষ বাড়িয়ে দেয়। সে সময় দেশি জাতের আউশ চাষ হতো। এতে ফলন কম হতো। সাধারণত বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভর করে আউশ হতো। বর্তমানে আউশ ধান চাষেও সেচ দেওয়া হচ্ছে। হাইব্রিড ও উফশী জাত চাষের ফলে উত্পাদনও বেড়েছে। চাষিরা নতুন করে আউশ চাষে ফিরে আসছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সার বীজ প্রণোদনা হিসাবে দেওয়া হচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় প্রয়োজন মতো বৃষ্টি না হওয়ায় চাষ ব্যাহত হচ্ছে। চাষি সেচ দিয়ে বীজতলা তৈরি করেছে। আবার সেচ দিয়ে জমি কাদা করে চারা রোপণ করছে। এতে খরচ বেশি হচ্ছে।