কানাডার কয়েকটি প্রদেশে এখন অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রেজেনেকার প্রথম ডোজের সঙ্গে অন্য কোনো ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ মিশ্রণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাই ‘মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ’ এই পদ্ধতিকে গুরুত্ব দিয়ে সামনের দিকে এগুচ্ছে দেশটি।
সংবাদ মাধ্যম সিবিসি নিউজের বরাতে জানা যায়, কুইবেকের পর অন্টারিওতেও এখন এই পদ্ধতি ব্যবহারের চিন্তা-ভাবনা চলছে। মূলত সেখানে অ্যাস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন সরবরাহের অনিশ্চয়তার কারণে এই বিকল্প পন্থার কথা আমলে নিচ্ছেন তারা। ভ্যাকসিনের জন্য কানাডা চুক্তি করেছিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রেজেনেকার সঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাস্ট্রেজেনেকার কারখানা থেকে কানাডায় ভ্যাকসিন পাঠানোর কথা ছিল।
এর মাঝে অবশ্য কানাডীয় সরকারের উদ্যোগে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে বেশ কিছু ভ্যাকসিন আনা হয়েছিল। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রফতানি নিষেধাজ্ঞার কারণে অ্যাস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন কানাডা কবে পাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফলে প্রথম ডোজ যাদের অ্যাস্ট্রেজেনেকা দেওয়া হয়েছিল তাদের দ্বিতীয় ডোজ অন্য কোনো ভ্যাকসিন দেওয়া যায় কিনা তা ভাবছে তারা।
ভ্যাকসিনের ‘মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ’ নিয়ে যুক্তরাজ্যে বড় ধরণের গবেষণার ফলাফলের দিকে তাকিয়ে এখন কানাডা। এ ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত চলতি সপ্তাহেই আসার কথা রয়েছে। একই সঙ্গে ফেডারেল ইমিউনাইজেশন প্যানেলের মতামতের দিকেও তাকিয়ে আছে তারা। অন্টারিওর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্রিস্টিনা ইলিয়ট বলছেন, প্রথম ডোজ যারা অ্যাস্ট্রেজেনেকা নিয়েছেন তাদের দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে ফাইজারের ভ্যাকসিন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
ইত্তেফাক/এএইচপি