বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার আইন-আদালতকে নিজেদের সুবিধায় ইচ্ছেমতো ব্যবহার করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তারা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে তারা ধ্বংস করেছে। বাংলাদেশে এখন আইন বলতে কিছু নেই, বিচার বলতে কিছু নেই। সবকিছু মিলিয়ে সরকার ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।
তিনি গতকাল রবিবার আশ্রমপাড়াস্থ হাওলাদার গেস্ট হাউজে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির নির্বাচন উপলক্ষ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে চরম এক দুঃসময় চলছে। করোনা মহামারির কারণে যারা দিনে আনে দিনে খায় এবং ছোট ছোট ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের অবস্থা খুব খারাপ। অসংখ্য মানুষ কর্মচ্যুত হয়েছে। দেশের প্রধান খাতগুলো থেকে আয়ের পরিমাণ কমেছে। সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।
তিনি বলেন, তারা একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে উঠে পড়ে লেগেছে। আইন আদালতকে তারা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিলের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার চেষ্টা করছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটিসহ নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে যে আইনগুলো প্রণয়ন করেছে সরকার, এতে করে মানুষের স্বাধীনতা বর্তমানে শূন্যের কোটায় চলে এসেছে। সাংবাদিক বা সাধারণ মানুষজন তাদের মত প্রকাশ করতে পারছে না। তারা কিছু লিখলেই বা বললেই আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এতে সাত বছরের বাচ্চা থেকে শুরু করে গৃহবধূ পর্যন্ত কেউ ছাড় পাচ্ছে না। এ আইনের আওতায় এনে বিএনপির অনেক নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, জামিন পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে না।