সৈয়দপুরে অতিরিক্ত মজুরিতেও মিলছে না শ্রমিক

বোরো ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষক

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

সৈয়দপুরে বোরো ধান ঘরে তুলতে চলছে তোড়জোড়। এদিকে উপজেলায় শ্রমিকসংকট রয়েছে। অতিরিক্ত মজুরিতেও মিলছে না শ্রমিক। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দক্ষিণে যাওয়া ধানকাটা শ্রমিকরা নিজ এলাকায় ফিরেছেন। তারা দলবেঁধে ধান কাটছেন এলাকায়। প্রতি বিঘা ধান কাটা ও কৃষকের উঠানো পৌঁছানো পর্যন্ত ৫ হাজার টাকা নিচ্ছেন। কৃষকরা সেই ধান মেশিনে মাড়াই করে নিচ্ছেন ৮০০ টাকায়। এরপর ধান শুকানো কাজে পুরষ ও নারী শ্রমিকরা কাজ করছেন। কেউ এই ধান ৭০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করে মজুরি পরিশোধ করছেন আবার কেউ-বা গোলায় তুলছেন। অনেকে আবার ভাতের চালের জন্য ধান সিদ্ধ করে নিচ্ছেন। ফলে গ্রামীণ জনপদে মহাযজ্ঞ শুরু হয়েছে। উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের কৃষক মতিয়ার রহমান জানান, বেশি দাম দিয়েও ধানকাটা শ্রমিক মিলছে না। কারণ সবার ধান একসঙ্গে পাকায় শ্রমিকের চাহিদা বেড়েছে। বাজারে ভালো দাম পেলে লাভবান হতে পারবেন। মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এ বছর বোরো মৌসুমে অতিরিক্ত গরমের কারণে ব্লাস্ট রোগ ও ইঁদুরের উপদ্রুবে ফসলের সামান্য ক্ষতি হয়েছে কিছু কিছু এলাকায়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, গত কয়েক বছর ধরে স্থানীয় জাতের ধানের আবাদ কমে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের আবাদ বেড়েছে। মোট উফসির আবাদ হয়েছে ৩৫ হাজার ৪৩০  হেক্টর। বেশি ফলন পাওয়ায় কৃষক এখন হাইব্রিড ও উফসি জাতের ধানের আবাদ বেশি বেশি করেছে। বাজারে দাম ভালো পেলে কৃষকের স্বপ্ন শতভাগ পূরণ হবে বলে তিনি মনে করেন।