পশ্চিমবঙ্গে লকডাউন
বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের টানা ১৫ দিনের লকডাউন রবিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে। এ লকডাউন থাকবে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত। লকডাউনে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, দোকানপাট, সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকলেও বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রয়েছে। তবে কমে গেছে যাত্রী চলাচল।
গতকাল নো ম্যানস ল্যান্ডে কথা বলার সময় পেট্রাপোল স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চন্দ্র জানান, ‘ভারতে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ব্যাপক আকার ধারণ করায় আমাদের পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৬ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত লকডাউন দিয়েছে। টানা এ লকডাউনে সাধারণ মানুষের চলাচলসহ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, দোকান, সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ রয়েছে। তবে বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই দুই দেশের বাণিজ্য সচল রাখা হয়েছে।’ বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক মামুন কবীর তরফদার জানান, আমাদের সীমান্তে লকডাউন থাকলেও দুই দেশের মধ্যে আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখার নির্দেশনা রয়েছে। ১৬ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার টানা ১৫ দিনের লকডাউন দিলেও তারাও বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখার নির্দেশনা দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থবিধি মেনে আমদানি-রপ্তানি কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। বেনাপোল বন্দর থেকে পণ্য লোড আনলোডসহ সব কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে চলছে।
বেনাপোল চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান হাবিব জানান, বেনাপোল সীমান্তে আগে থেকেই লকডাউন রয়েছে। তারপরও হাইকমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে দুই দেশে আটকে পড়া যাত্রীরা নিজ নিজ দেশে ফিরছিলেন। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের লকডাউনের কারণে যাত্রী চলাচল এখন অনেক কম। সোমবার সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পাঁচ জন যাত্রী ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন।