ডিএসইকে এসইসির শোকজ
ইত্তেফাক রিপোর্ট
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) যোগ্য ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খুঁজে পাচ্ছে না। বারবার এ পদের জন্য প্রজ্ঞাপন দিয়েও মিলছে না যুতসই এমডি। গতকাল সোমবার পত্রিকায় ফের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ডিএসই।
সাত মাসের বেশি সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত বা চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত এমডি দিয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে ডিএসই। ফলে পূর্ণাঙ্গ এমডি নিয়োগের ক্ষেত্রে ডিএসই নিজস্ব বিধি-বিধান লঙ্ঘন করেছে। ডিএসই এ ব্যর্থতার দায় এড়াতে পারে না বলে মনে করছে শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তাই এ ব্যর্থতার কারণ জানতে ডিএসই’র কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে কমিশন। ডিএসই বিধান অনুযায়ী, ডিএসইর এমডি পদে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হবে। এ পদের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবিসহ পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে বলা হয়েছে। আগামী ৩০ মের মধ্যে ডিএসইর মানবসম্পদ বিভাগীয় প্রধান বরাবর আবেদন পাঠাতে হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিএসইর ওয়েবসাইটে এমডি পদের জন্য যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা হিসেবে তিনটি শর্ত রয়েছে। শর্তগুলোর যে কোনো একটি অবশ্যই প্রার্থীকে পরিপালন করতে হবে। প্রথম শর্ত হলো—ব্যবসা, অর্থনীতি, পরিসংখ্যান, গণিত বা আইনে ব্যাচেলর ডিগ্রিসহ ১০ বছরের ম্যানেজমেন্টের অভিজ্ঞতা। দ্বিতীয়টি হলো—সিএফএ, সিএ, সিএমএ, সিএস, সিপিএ ইত্যাদি পেশাজীবী সনদসহ ১০ বছরের অভিজ্ঞতা। তৃতীয়টি হলো—শেয়ারবাজার নিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যতিক্রম প্রার্থীর ক্ষেত্রে অন্যান্য যোগ্যতা কিছুটা শিথিলযোগ্য হবে। এছাড়া আবেদনকারীকে মূল্যায়ন করার সময় ইনফরমেশন টেকনোলজি বা কম্পিউটার সায়েন্স ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে তা অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর আগে একাধিকবার এমডি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ডিএসই; কিন্তু যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় ফের এমডি খোঁজার প্রক্রিয়া শুরু করল সংস্থাটি। গত বছর ৮ অক্টোবর কাজী ছানাউল হক ডিএসইর এমডি হিসেবে থাকবেন না বলে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরবর্তী সময়ে গত জানুয়ারি মাসে তিনি বিদায় নেন। এরপর থেকে ডিএসই ভারপ্রাপ্ত এমডি দিয়েই চলছে।