করোনা পরিস্থিতি যেমনই হোক এর মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করার পক্ষে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। করোনা পরিস্থিতি যতই খারাপ হোক না কেন আইন অনুযায়ী কমিশনকে নির্বাচন করতেই হবে। এ লক্ষ্যে বুধবার বিকাল ৩টায় কমিশন সভা আহ্বান করেছে ইসি।
গত ১১ মে কমিশনের অনানুষ্ঠানিক এক বৈঠকে এ সভা আহ্বান করা হয়েছিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য সভায় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
সভার আলোচ্য সূচির মধ্যে রয়েছে- লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্থগিতকৃত নির্বাচন, ষষ্ঠ ধাপের ১১টি পৌরসভাসহ প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের স্থগিতকৃত নির্বাচন; সিলেট-৩, ঢাকা-১৪ ও কুমিল্লা-৫ শূন্য আসনের নির্বাচন; ইউনিয়ন পরিষদের দ্বিতীয় ধাপের সাধারণ নির্বাচন ও পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার পরিষদের অন্যান্য নির্বাচন; লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভা নির্বাচনের তদন্ত প্রতিবেদন; এবং বিবিধ।
এ বিষয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ১৯ মে কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৪-৫টা এজেন্ডা আছে। ৩৭১টি ইউপি নির্বাচনসহ যেসব নির্বাচন ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
লক্ষ্মীপুর-২ ও সিলেট-৩ আসনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ক্ষমতা বলে পরবর্তী ৯০ দিনও পার হয়ে গেছে। করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে ১ মার্চ সব ধরণের নির্বাচন স্থগিত করে কমিশন। এছাড়া অনেক নির্বাচনের মেয়াদ শেষ হলেও সিইসির বিশেষ ক্ষমতাবলে এসব নির্বাচন মেয়াদ ৯০ দিন বাড়ানো হয়। এই ৯০ দিনও পার হয়ে যাচ্ছে কিছু নির্বাচনের। তাই এসব নির্বাচন আয়োজন করার কথা ভাবছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।
ইত্তেফাক/ইউবি