গোল চাই গোল

সবাইকে শতভাগ দিতে বললেন জামাল

 স্পোর্টস রিপোর্টার

গোল ছাড়া ম্যাচ ভালো খেলে কোনো লাভ নেই। প্রতিপক্ষ দুর্বল কিংবা শক্তিশালী যেটাই হোক, প্রতিপক্ষের জালে বল রাখতে হবে। তা না হলে ম্যাচে ভালো খেলে কি হবে। মনে আছে কলকাতায় বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ভারতের বিপক্ষে গোল করেও সেই ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। গোল করার পর বাংলাদেশের স্ট্রাইকার নাবীব নেওয়াজ জীবন গোলের আরো সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু গোল না হওয়ায় ম্যাচটা জেতাও সম্ভব হয়নি। এই কথাগুলো বিভিন্ন প্রশ্নে ঘুরে ফিরে উঠে আসছিল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়ার কণ্ঠে।

গতকাল সকালে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে কড়া রৌদ্রে অনুশীলনের ফাঁকে জামাল নিজেদের অবস্থানের কথা তুলে ধরে বললেন, ‘গোল করতে হবে তা না হলে আমরা পয়েন্ট পাব না।’ জামালের কথায় যুক্তি আছে। ভারতের বিপক্ষে সাদউদ্দিনের গোলটা ১ পয়েন্ট এনে দিয়েছে। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ ৫ ম্যাচ খেলে ২ গোল করেছে আর হজম করেছে ১৩ গোল। গতকালকের অনুশীলনে গোল নিয়ে বেশ কাজ হয়েছে। দূর হতে পোস্টে শট করার অনুশীলন করলেন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা। জামাল বললেন, ‘আমি পাঁচটা শট নিয়ে চারটা গোল করেছি। অন্যরা তাদের মতো করে চেষ্টা করছে।’ ৩ জুন কাতারের দোহায় আফগানিস্তান, ৭ জুন ভারত এবং ১৫ জুন ওমানের বিপক্ষে ই গ্রুপে বাংলাদেশের শেষ তিনটি ম্যাচ। এই তিন ম্যাচই কঠিন। কীভাবে লড়াই করবে তার একটা পরিকল্পনা করছেন কোচ। এই তিন ম্যাচ বাংলাদেশে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে হচ্ছে কাতারের দোহায়। সেখানে ভিন্ন পরিবেশে লড়াই করতে হবে। বাংলাদেশে খেলা হলে হয়তো সমর্থকরা মাঠে থাকতেন। কিন্তু করোনার কারণে সবকিছু ওলট-পালট হয়ে গেছে। কঠিন ম্যাচ নিয়ে জামাল ভুঁইয়ার এক কথা সবাইকে ১০০ ভাগ পরিশ্রম দিতে হবে। এখানে কেউ ৫০ ভাগ দিলে হবে না। বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে লড়াটা অন্য রকম উত্তেজনা এনে দেয় বাংলাদেশকে এমনটা মনে করছেন জামাল। অধিনায়ক বললেন, ‘ভারতের সঙ্গে লড়াইয়ে আমরা সব সময় ভারতের কাছাকাছি থাকি। ওদের ভাষার সঙ্গে আমাদের ভাষার মিলও আছে। ফুটবল মাঠে লড়াইটা সমান সমান হয়। আমরাও ভালো খেলি। দেখবেন, সল্ট লেকের সেই ম্যাচে আমরা সমান সমান লড়াই করেছিলাম। এবারও সেই লড়াইটা দিতে হবে।’ 

গোলকিপার রানা আউট, লিটন ইন

 স্পোর্টস রিপোর্টার

জাতীয় ফুটবল দল থেকে ছিটকে গেছেন গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা। তার ইনজুরির কারণে কোচ জেমি রানাকে বাদ দিয়েছেন। আর দলে নিয়েছেন রাসেল মাহমুদ লিটনকে। এক জনের ইনজুরিতে আরেক জনের কপাল খুলেছে। বাংলাদেশ ফুটবল কাতারে যাবে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের বাকি থাকা গ্রুপের তিন ম্যাচ খেলতে। ক্যাম্পে উঠেও দলের গুরুত্বপূর্ণ গোলকিপার রানা খেলতে কাতার যেতে পারছেন না। ডাক্তার তাকে ফিট সার্টিফিকেট দিচ্ছে না। শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের অভিজ্ঞ গোলকিপার রানাকে ক্যাম্প ছাড়তে হয়েছে। জেমি অবশ্য চেয়েছিলেন রানাকে রাখতে। কিন্তু যাকে নিয়ে খেলার সুযোগ নেই তাকে দলে রেখে লাভ কী। বরং অন্য এক জনকে সুযোগ দেওয়া হলে দলের জন্য ভালো। রানার জায়গায় নেওয়া হয়েছে রহমতগঞ্জের গোলকিপার রাসেল মাহমুদ লিটনকে।