নগরীর পাঠানটুলা এলাকায় সহকর্মীর ছুরিকাঘাতে উই ওয়েল টাও (৪০) নামের এক চীনা নাগরিক নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে নগরীর কোতোয়ালি থানার পাঠানটুলাস্থ নিবাস-বি-১১-৯ নম্বর বাসায় মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটে।
এসএমপির এডিসি (মিডিয়া) আশরাফ উল্লাহ ইত্তেফাককে জানান, হামলাকারী অপর চায়নিজ নাগরিক সানক্সি ও অন্যদের কাছ থেকে পাওয়া প্রাথমিক তথ্যে জানা যায় সকালে নাশতা করার সময় বাথরুমে হাত ধোয়া নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে একে অন্যের ওপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে উই ওয়েল টাও খুন হন। তবে এর পেছনে আরো কোনো রহস্য আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান ঐ পুলিশ কর্মকর্তা। এদিকে দুপুরে কোতোয়ালি থানাপুলিশ ও পিবিআইর একটি দল ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। এ সময় হামলাকারী সানক্সিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে পুলিশ। তারা দুজনই ঐ বাসার পঞ্চম তলায় বসবাস করতেন।
কোতোয়ালি থানার ওসি এস এম আবু ফরহাদ জানান, পাঠানটুলার ঐ বাসায় থেকে তারা কুমারগাঁওস্থ বিদ্যুত্প্ল্যান্টে কাজ করতেন। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে পঞ্চম তলার ৭ নম্বর ফ্ল্যাটে মারামারির শব্দ শোনা যায়। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ এসে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। নিহত উই ওয়েল টাওয়ের বুকে ও শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়াও সানক্সিয়ের শরীরেরও একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। সানিক্স বর্তমানে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। পুলিশ ঐ ফ্ল্যাট থেকে দুটি ছোরা উদ্ধার করে।