ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দখলদারিত্বকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া সংঘাত নবম দিনে গড়িয়েছে। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর বর্বর গোলাবর্ষণ ও রকেট হামলায় এ পর্যন্ত প্রাণ গেছে ২২০ জন ফিলিস্তিনির। নিহতদের মধ্যে শিশু আছে ৬৩ জন। আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দেড় হাজার। খবর আল জাজিরা।
ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী দল হামাসের ছোড়া রকেটে ইসরায়েলে ২ শিশুসহ নিহতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১২ জনে। সেখানে আহত হয়েছেনঅন্তত ৩০০ জন।
গাজা উপত্যকায় বসাবাসকারী স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ এবং ইসরায়েলি বসতকারীদের ভূমি দখলকে কেন্দ্র করে হামাস ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর মধ্যে শুরু হওয়া এই সহিংসতা গড়িয়েছে নবম দিনে। এই ৯ দিনে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহর ও স্থাপনা লক্ষ্য করে হামাস প্রায় ৩ হাজার ৪৫০ টি রকেট ছুঁড়েছে হামাস।
ইসসরায়েলি দখলদার বাহিনীর রকেট হামলায় অসংখ্য নিহতের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজার হাসপাতালগুলো। যার কারণে সেখানে বন্ধ হয়ে গেছে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ টেস্ট। এতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ডক্টর আশরাফ আল-কিদরার বরাতে আল জাজিরার সাংবাদিক সামি আবু সেলিম বলেন, শুধুমাত্র একটি ল্যাবে কোভিড টেস্টগুলো করা হতো। ইসরায়েলি হামলার কারণে যা বন্ধ হয়ে আছে।
তিনি আরও বলেন, যদি এই পরিস্থিতি চলতে থাকে তাহলে বোমা ও রকেট হামলা থেকেও বিপজ্জনক কিছু অপেক্ষা করছে ফিলিস্তিনিদের জন্য। করোনাভাইরাসের সংক্রমণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। ইতিমধ্যে গাজায় ওষুধের সংকটও দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ প্রকট হচ্ছে। যাদের জরুরি ওষুধ প্রয়োজন তারা ভীষণ বিপদে পড়েছেন। সেইসঙ্গে ঝুকিতে পড়বেন করোনা আক্রান্তরা।
ওষুধের সংকট নিরসনে তিনি আন্তর্জাতিক মহলের সাহায্য চেয়েছেন। যাতে দ্রুত গাজায় মেডিকেল সরঞ্জাম ও ওষুধ সরবরাহ করা সম্ভব হয়।
ইত্তেফাক/টিআর