সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট বন্দরে কোচিং বাণিজ্য চলে আসছিল। এ খবর পেয়ে আজ বৃহস্পতিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। এতে চার শিক্ষককে অর্থদণ্ড ও দুই শিক্ষককে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত ও র্যাব- ৮ কোম্পানি কমান্ডার মো. রইসউদ্দিন জানান, প্রশ্নপপত্র ফাঁস রোধে সরকার একমাস কোচিং সেন্টারগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু কিছু সংখ্যক কোচিং সেন্টার বন্ধ করেনি। এমন খবর পেয়ে আমরা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছি এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অসীম কুমার মণ্ডল পরিচালিত অন্তর ইংলিশ টিচিং সেন্টারের ৩ শিক্ষক ও ১ প্রাইভেট শিক্ষককে এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও মুচলেকা নেয়া হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ইত্তেফাক/এএম