বিস্মৃতির অন্ধকার থেকে দীর্ঘ পথ হেঁটে
হঠাত্ থমকে দাঁড়ায় মানুষ
তোমাদের দ্যুতিময় ভাষায় জ্বলে ওঠা আলোক শিখা দেখে
তাদের আকাশে দেখা দেয় এক ফুটফুটে চাঁদ
নিষাদ মুখেরা জ্যোতির্ময় হয়ে ওঠে উজ্জ্বল আঁধারে
চর্যাপদের ধূলিমাখা অক্ষরগুলো দীপ্তি ছড়ায় রুপালি আগুনে
আবদুল হাকিমের পঙিক্তমালা হিরণ্ময় হয়ে থাকে হূদয় গভীরে
রবীন্দ্রনাথ হেঁটে যান তাদের বিস্তীর্ণ আঙিনায়
দ্রোহের আগুনে পোড়ে নজরুল গেয়ে ওঠেন শিকল ছেঁড়ার গান
তোমাদের রক্তের ওমে তাদের বোধিবৃক্ষ বেড়ে ওঠে
পাতায় পাতায় বাজে মৃত্তিকার গান
সময়ের ঘূর্ণাবর্তে আবারও বৃক্ষের পাতা ঝরে
শাখারা শুকায় অনাদরে
শকুনের অন্ধ ডানায় নীলাকাশ ঢাকে
তবে কেন এ বৈরী বাতাস বয়ে যায় বোধের চৌহদ্দি জুড়ে?