ভাসানচর ছেড়েও পালাচ্ছে রোহিঙ্গারা

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ঘিঞ্জি ক্যাম্প থেকে নোয়াখালীর ভাসানচরে সুরম্য দালানে বসবাসের সুযোগ পাওয়া রোহিঙ্গারা এবার সেখান থেকেও পালাচ্ছে। এরই মধ্যে ৪০-৫০ জন রোহিঙ্গা ঘর ছেড়ে পালিয়েছে বলে জানিয়েছেন শরণার্থী নেতারা। অনেকে স্বপরিবারে, আবার কেউ কেউ পরিবারের অন্য সদস্যদের রেখেই ভাসানচর থেকে পালিয়েছেন। তবে পালিয়ে যাওয়াদের মধ্য থেকে বেশ কয়েক জন রোহিঙ্গা ধরাও পড়েছেন। 

রোহিঙ্গারা আসলেই অস্থির জনগোষ্ঠী বলে মন্তব্য করেছেন লোকাল এনজিওগুলোর সমন্বিত প্ল্যাটফরম সিসিএনএফের ফোকাল আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা। তবে ফিরে আসা কোনো রোহিঙ্গার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব না হওয়ায় তারা কেন পালিয়ে আসছেন, সে তথ্য এখনো অজানাই রয়েছে।

১৮ মে মঙ্গলবার সকালে ১১ জন রোহিঙ্গাকে আটক করে সন্দ্বীপ থানা পুলিশ। এছাড়া টেকনাফের উনছিপ্রাং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নুরুল আমিন নামের একজন রোহিঙ্গা যুবক ভাসান চর থেকে পালিয়ে এসেছে বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার ১৬ এপিবিএন অধিনায়ক (এসপি)। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ১১ রোহিঙ্গার মধ্যে ছয় জন নারী, তিন জন শিশু ও দুই জন যুবক। আটক রোহিঙ্গাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি গুচ্ছগ্রামের রোহিঙ্গা নেতা সাংবাদিকদের বলেন, এখান থেকে ৪০-৫০ জন রোহিঙ্গা পালিয়েছেন। সর্বশেষ গত বুধবার বিকালে বেড়িবাঁধ থেকে পালানোর চেষ্টা করা চার রোহিঙ্গাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।