বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল স্কুলছাত্রী

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

সৈয়দপুরে বৃহস্পতিবার বিকালে বরের বাড়িতে গোপনে চলছিল বিয়ের আয়োজন। কনে সাজানো হচ্ছিল সেখানেই। খবর পেয়ে সেখানে হাজির হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ। পরে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে বর ও কনের বাবার কাছ থেকে মুচলেখা নেওয়া হয়। মুচলেকায় বলা হয়, ১৮ বছর না হলে মেয়ের বিয়ে নয়, নয় তো আইনে যা শাস্তি আছে তা উভয় পক্ষ মাথা পেতে নেব। ঐদিন সৈয়দপুর শহরের কয়ানিজপাড়া এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে জুবেল হোসেনের (২২) সঙ্গে বিয়ের আয়োজন চলছিল একই এলাকার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর (১৩)। ঐ মেয়ের বিয়েতে ছিল আপত্তি। এক পর্যায়ে সুযোগ বুঝে সে মুঠোফোনে কথা বলে এলাকার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বপ্ন দিশারীর সভাপতি খোন্দকার আবিদা সুলতানার সঙ্গে। আবিদা বিষয়টি উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুরুন্নাহার শাহাজাদীকে অবহিত করেন। তিনি ইউএনও মো. নাসিম আহমদকে নিয়ে ছুটে যান ঘটনাস্থলে। এরপর বিয়ে বন্ধ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, মুচলেকা নিয়ে বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। এরপরও যদি অন্যথা করে তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।