জাতিসংঘে মিলিটারি অ্যাফেয়ার্সের চিফ অফ স্টাফ হলেন ব্রিগেডিয়ার নাজমুল

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অফিস অফ মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স, ডিপার্টমেন্ট অফ পিস অপারেশন (ডিপিও), নিউ ইয়র্কে  চিফ অফ স্টাফ হিসেবে মনোনীত হলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক। গত ফেব্রুয়ারি মাসে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলসহ অন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদের ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। এ সাক্ষাতে তিনি জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশ থেকে আরো বেশি কন্টিনজেন্ট প্রেরণ এবং জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বিভিন্ন উচ্চতর এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে আরো অফিসার নিয়োগের ব্যাপারে অনুরোধ করেন। জাতিসংঘের সিনিয়র নেতৃত্ব এ ব্যাপারে ইতিবাচক প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এবং এরই ফলশ্রুতিতে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ এই পদে প্রথম বারের মতো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদবির একজন অফিসারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাতিসংঘে মিলিটারি অবজারভার এবং স্টাফ অফিসার হিসেবে ২০টি অতিরিক্ত নিয়োগ বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

সেনাবাহিনী প্রধান যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে (সিএআর) বাংলাদেশি  শান্তিরক্ষীদের জনবল আরো বৃদ্ধির জন্য প্রস্তাব রাখেন এবং তাদের মোতায়েনের কাজ চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যেই সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে বাংলাদেশ স্পেশাল ফোর্স কোম্পানি (ব্যানএসএফসি) এবং লাইট কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্সের (এলকিউআরএফ) ৫০ জন জনবল বৃদ্ধিসহ ব্যানব্যাটের লেভেল-১ হসপিটালকে লেভেল-২ হসপিটালে উন্নীত করার ব্যাপারে চূড়ান্ত প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এই একই মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্স (কিউআরএফ) এবং ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ার কোম্পানি মোতায়েনের সম্ভাবনাও রয়েছে। এছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের সমন্বিত স্পেশাল ফোর্স সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে মোতায়েনের ব্যাপারে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব পেয়েছে। সেনাপ্রধান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন মালিতে একটি শক্তিশালী কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্স এবং একটি অ্যাভিয়েশন ইউনিট মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা শিগিগরই  মোতায়েন করা হবে। ইতিমধ্যেই ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক (ডিআর) অব কঙ্গোতে ছয় সদস্যের অ্যারো-মেডিক ইভাকুয়েশন টিম (এএমইটি) এবং ১৩ জন অতিরিক্ত মিলিটারি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।—আইএসপিআর