ভারত ও পাকিস্তানের যাত্রীবাহী বিমানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরো এক মাস বাড়াল কানাডা। করোনা সংক্রমণের বিস্তার রোধ করতেই দেশটির সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে আগামী ২১ জুন পর্যন্ত ঐ দুই দেশের কোনো যাত্রীবাহী বিমান কানাডায় প্রবেশ করতে পারবে না। দেশটির পরিবহনমন্ত্রী ওমর আলঘাব্রা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রয়টার্স
এক বিবৃতিতে ওমর আলঘাব্রা বলেন, গত ২২ এপ্রিল যাত্রীবাহী বিমানে নিষেধাজ্ঞা আনার পর থেকে ‘তাত্পর্যপূর্ণভাবে সংক্রমণ কমার হার লক্ষ’ করা যাচ্ছে। তবে কার্গো বিমানের ফ্লাইটের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা থাকছে না। তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কানাডার নাগরিকদের করোনা থেকে রক্ষা করবে চলমান এই নিষেধাজ্ঞা। বাইরের কোনো দেশ থেকে যাতে করোনাভাইরাসের নতুন কোনো ধরন আসতে না পারে, সে জন্য গত ২২ এপ্রিল থেকে ভারত ও পাকিস্তানের যাত্রীবাহী ফ্লাইট প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে কানাডা সরকার। সে সময়ও ৩০ দিনের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়। এবার ঐ নিষেধাজ্ঞা আরো এক মাস বাড়ানো হলো। গত এপ্রিলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সময় পরিবহনমন্ত্রী ওমর আলঘাব্রা বলেন, ভারত ও পাকিস্তান থেকে কানাডায় আসা ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকসংখ্যক কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ায় ট্রান্সপোর্ট কানাডা দেশ দুটি থেকে সরাসরি যাত্রী বিমান চলাচল বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নোটিশ দিয়েছে। সে সময় তিনি বলেন, উভয় দেশ থেকে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও ব্যক্তিগত যাত্রী বিমান নিষিদ্ধ থাকবে। তবে ভ্যাকসিন ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে কার্গো ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।
কানাডায় গত বছরের মার্চ মাসে প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। তারপর থেকেই দেশটির সরকার নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরো শক্তিশালী করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশেষ করে দেশটির নাগরিকদের স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেই ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। নাগরিকদের যাতে দ্রুত টিকা দেওয়া যায়, সেদিকেও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে দেশের সরকার।