নেপালের পার্লামেন্ট বিলুপ্ত করে নতুন নির্বাচনের ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি। আগামী নভেম্বরে দুই দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নেপালের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি কিংবা বিরোধী দলীয় নেতা শের বাহাদুর দেউবা কেউই শুক্রবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখাতে পারেননি। তাই শুক্রবার মধ্যরাতের পর প্রেসিডেন্ট হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ বিলুপ্ত করে দিয়েছেন আর আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের এবং ১৯ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপের সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার সুপারিশে এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। তবে এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি রাজনৈতিক দলগুলো। যদিও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার ভোরে প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণার কারণে নেপালে নতুন রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হতে পারে।
কেপি ওলি পার্লামেন্টে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ৩৯ মাস আগে পাঁচ বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু দলীয় কোন্দলের কারণে এবং জোটের শরিক দল মাওবাদী পার্টি সরে যাওয়ার কারণে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারান। এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে বিরোধীদের অভিশংসনের হুমকির মুখেও পড়েন প্রেসিডেন্ট ভান্ডারি। যা হোক পার্লামেন্ট বিলুপ্ত হওয়ায় এখনকার মতো বেঁচে গেলেন তিনি।