আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যানুযায়ী আগামী ২৬ মে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’। ঘূর্ণিঝড়কালীন এবং পরবর্তী সময়ে ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠাসহ বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতা নিশ্চিতকল্পে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। গত কয়েকদিন ধরে উপকূলের মানুষকে ঘূর্ণিঝড় এবং এর পরবর্তী ঝুঁকি সম্পর্কে সাবধান করতে কাজ করে যাচ্ছে তারা। সরকার ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ করেছে। আশার কথা এই যে, বিগত কয়েক বছরে উপকূলের মানুষের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে সচেতনতা কিছুটা হলেও বেড়েছে। এই জনসচেতনতা ভবিষ্যতে আরো বাড়বে। আর জনসচেতনতা বাড়লেই ঘূর্ণিঝড়কালীন এবং পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে।
মো. আজিজুল হাকিম রাকিব
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়