শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য স্থাপিত পুলিশ ফাঁড়ির ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনের ছাদের পলেস্তারা ধসে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ১৯০৩ সালে নির্মিত ভবনটি দীর্ঘদিন এ অবস্থায় পড়ে আছে। এ পুলিশ ফাঁড়ি ভবনে ১৭ জন পুলিশ সদস্য ঝুঁকি নিয়ে কর্মরত আছেন।
২০০৪ সালে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশনকে আধুনিক রূপে নির্মাণ করা হয়েছে। ঐ সময় ব্যাপকভাবে স্টেশনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও অজ্ঞাত কারণে এ পুলিশ ফাঁড়ির ভবনটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা হয়নি। শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. হারুন অর রশিদ জানান, এই ফাঁড়িতে আমরা ১৭ জন পুলিশ সদস্য কর্মরত আছি। এখানে বিশ্রাম বা থাকার কোনো ব্যবস্থা নেই, কোনো শৌচাগার নেই, ওজু গোসল ও খাওয়ার পানির ব্যবস্থা না থাকায় আশপাশের টিউবঅয়েল থেকে খাওয়ার পানি আনতে হয়।
তিনি বলেন, আমাদের অসুবিধার কথা অনুভব করে সহকারী স্টেশন মাস্টার মুশফিকুর রহমান যাত্রীদের বিশ্রামাগারে আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। বিশ্রামাগারের টয়লেট আমাদের ব্যবহার করতে হয়।
সিলেট রেলওয়ে পুলিশ সুপার (এসপি) শেখ শরিফুল ইসলাম বলেন, বৃটিশ আমলে স্থাপিত জরাজীর্ণ ভবন সম্পর্কে অবগত আছি। নতুন ভবনের জন্য ইতিমধ্যে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। হয়তো কিছু দিনের মধ্যেই নতুন ভবনের বরাদ্দ পাওয়া যাবে।
ইত্তেফাক/এমআর