আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সুযোগ নিতে পারে চীন

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি উদ্বেগ জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ওয়াশিংটনের অনেকেই। তাদের বক্তব্য হলো, সেনা সরিয়ে নেওয়ার ফলে যুদ্ধবিধস্ত দেশটিতে যে শূন্যতা তৈরি হবে সেখানে দখল নিতে পারে চীন।  রবিবার (২৩ মে) নিককেই এশিয়ার বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে ডেইলি হান্ট।

গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার মার্কিন সিনেটে সশস্ত্র পরিষেবা কমিটির শুনানি চলাকালে ইন্দো-প্যাসিফিক সুরক্ষা বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত সহকারী সচিব ডেভিড হেলভি বলেন, এটা স্পষ্ট যে অঞ্চলটির আশপাশে বেশ কিছু দেশ আছে যারা সেখানে ইন্টারেস্ট দেখাতে পারে এবং তারা আফগানিস্তানে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে চাইবে।

বিশেষ করে আফগানিস্তানের প্রতি চীনের যথেষ্ট ইন্টারেস্ট রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পরিবর্তে সেখানে তা হ্রাস করার ক্ষেত্রে চীনারা প্রভাব বিস্তার করতে চেষ্টা করবে। অবশ্যই এটা এমন কিছু, যা নিয়ে আমাদের উদ্বিগ্ন হতে হবে।

এর আগে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কর্তৃক আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার পরই বিষয়টির প্রভাব নিয়ে ওয়াশিংটনের অনেকেই গভীর উদ্বেগ জানায়। তাদের শঙ্কা, সেনাদের সরিয়ে নেওয়ার পর কাবুলে সংখ্যালঘু ও নারীদের অধিকার হ্রাস পাবে এবং গণমাধ্যম ও আফগানিস্তানের নিরাপত্তা ভেঙে পরবে।

মার্কিন রিপাবলিকান সিনেটর মার্শা ব্ল্যাকবার্ন পেন্টাগনকে প্রশ্ন রেখে বলেন, বেল্ট এন্ড রোড প্রকল্পের মাধ্যমে চীনের আফগানিস্তান থেকে ইরান পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন অ্যাক্সেস অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে।

ইত্তেফাক/টিএ