মহাসড়কে জমা পানি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর দিয়ে বইছে বাসা-বাড়ি, হোটেল-রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ময়লা পানিসহ টয়লেটের আবর্জনা। দিনের পর দিন এসব পানি মহাসড়কে গড়িয়ে সেখানেই শুকিয়ে যাচ্ছে। ফোর লেনের উভয় পাশে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য কুমিল্লা অংশের বিভিন্ন স্থানে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ বক্স ড্রেন নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু এসব কোনোই কাজে আসছে না। কোথাও আবর্জনা ফেলে, কোথাও অসমাপ্ত ড্রেনের কারণে আবার কোথাওবা নির্মাণ শেষে ড্রেনগুলোর ভেতরে স্লাব ফেলে রেখে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে থাকে। সরেজমিন মহাসড়কের ফোর লেনের কুমিল্লাগামী অংশের  ময়নামতি সেনানিবাস সংলগ্ন আদর্শ সদর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর, আমতলী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বেশ ক’টি বাণিজ্যিক ব্যাংক, ক্লিনিক, হোটেল-রেস্টুরেন্ট, সিএনজি ফিলিং স্টেশনসহ দোকানপাট, বাসাবাড়ি। আর এসব কিছুর পয়ঃনিষ্কাশনব্যবস্থার সরাসরি সংযোগ মহাসড়কের পাশের ড্রেনগুলোর সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু মহাসড়কের পাশের ড্রেনগুলো পরিত্যক্ত থাকায় মানুষের গোসল, ধোয়া-মোছা বা টয়লেটের পানি প্রতিদিনই সরাসরি প্রথমে ড্রেনে এসে সেখানে বাধা পেয়ে উপচে বেরিয়ে মহাসড়ক সয়লাব হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ও বায়ুদূষণের ফলে পথচারীদের দুর্ভোগ বাড়ছে। আশপাশ যানবাহনের চাকায় ছিটকে আবর্জনার পানিতে সিক্ত হতে হচ্ছে পথচারী, মোটরসাইকেল ও রিকশাসহ যানবাহনের যাত্রীদের। এ অবস্থায়, পরিবেশ রক্ষাসহ পরিচ্ছন্ন মহাসড়কের জন্য আবর্জনা, ধোয়া-মোছা-টয়লেটের পানির স্রোত বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মামশাদ কবীর

কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০