অনলাইন নয় বরং সশরীরে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নিবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। আগামী জুনের শেষে সামাজিক দূরত্ব মেনে পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি দায়িত্বে থাকা উপাচার্য অধ্যাপক কামালউদ্দিন আহমদ। তবে এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমতি চাওয়া হবে।
গতকাল সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনদের সঙ্গে মিটিং শেষে এ তথ্য জানান তিনি। করোনা বৈশ্বিক মহামারিতে দেশের বিভিন্ন সেক্টর পর্যায়ক্রেম চালু রাখা হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ পুরোপুরি স্থবির অবস্থায় রয়েছে। দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও অনলাইনভিত্তিক ক্লাস প্রোগ্রাম চালু থাকলেও পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় দ্রুত সময়ে ক্লাস ও পরীক্ষা শুরু করার জন্য শিক্ষার্থীরা দাবি জানিয়ে আসছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা দ্রুত সময়ে ক্লাস ও বিশেষ করে পরীক্ষা শুরুর বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. নুরে আলম আব্দুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া এখন সময়ের দাবি। করোনা ভাইরাসের এই অতিমারিতে সারা বিশ্বের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকলেও পরিস্থিতি একটু ভালো হলেই খুলে পরীক্ষা, ক্লাস এগুলো নেওয়া হচ্ছে। আর আমরা টানা এক বছর দুই মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ রেখেছি। শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে। এটা শিক্ষাব্যবস্থার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
পরীক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক কামালউদ্দিন আহমদ বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রায় দেড় বছর সময় নষ্ট হয়েছে, তা ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে আমরা চাইব দ্রুত সময়ে এবং সশরীরে শিক্ষার্থীদের আগামী জুনের শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস রুমে বসিয়ে পরীক্ষা নিতে। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে।