২৫ বছর পর!

বিনোদন প্রতিবেদক

 

সৌন্দর্যে, মেধায়, ভাবনায়, উপস্থাপনে গত কয়েক প্রজন্মের আদর্শ পুরুষের নাম আফজাল হোসেন। এই অতিমারির সময়কালে পাঠক বা নেটিজেন চোখগুলো তাকে ভিন্নতায় পেয়েছেন। নিজে লিখে চলেছেন দারুণ কিছু আত্মকথন। ধারাবাহিকভাবে তা নিজের তৈরি ইলাস্ট্রেশনে উপস্থাপনও করছেন। পাঠক পড়ে সমৃদ্ধ হচ্ছেন। এর ভেতরে বেশকিছু জনসচেতনামূলক ডকুমেন্টারিও তৈরি করেছেন তিনি।

গড়ে তুলছেন শিল্পমনা মানুষদের নিয়ে ভিন্ন ব্যাঞ্জনার এক প্লাটফর্ম ‘মনমোকাম’। দীর্ঘ সফল জীবনের পাঠ পেরিয়ে কিংবদন্তীরা যখন খানিক বিশ্রামের সুযোগ পায় তখনো ভিন্ন কৌশলে তারা নিজেকে প্রকাশ করেন। স্মৃতি তাড়ায় প্রিয় মানুষদের। আফজাল হোসেনের ভাষায় ‘হরিহর আত্মা’ হলেন এদেশের বরেণ্য চিত্রগ্রাহক আনোয়ার হোসেন বুলু। গতকাল ছিল তার জন্মদিন।

বন্ধু-সুহূদের জন্মদিন উপলক্ষে তিনি লিখেছেন ‘এক সময় আমরা ছিলাম হরিহর আত্মা। বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনচিত্র যে টেলিভিশন পর্দা, দর্শকের মন মানসিকতায় বিরাট পরিবর্তন এনে দিতে পেরেছিল তাতে বিশেষ ভূমিকা ছিল এই আনোয়ার হোসেন বুলুর। টেলিভিশনের বাইরে যখন নাটক নির্মাণ শুরু হয়ে যায় তখনো ক্যামেরার পেছনে থেকে প্রধান ভূমিকায় আমরা তাকেই দেখি। বুলু ও আমার মাঝখানে মৌ। বিজ্ঞাপনচিত্রে মেয়েদের মনে মডেল হওয়ার আকাঙ্ক্ষা তৈরি হওয়ার জন্য এবং মডেলিং পেশা যে মর্যাদা ও গৌরবের হয়ে উঠলো তার প্রধান কৃতিত্ব এই সাদিয়া ইসলাম মৌয়ের। আমরা বহুকাল পরে তিনজন একসঙ্গে হয়েছিলাম।’

মূলত সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকী এই তিনকে এক করে নাটক নির্মাণ করছেন। আফজাল হোসেন, মৌ অভিনয় করছেন আর ক্যামেরার পেছনে আনোয়ার হোসেন বুলু। ২৫ বছর পর গত ২৪ মে তারা এক ফ্রেমে বন্দি হলেন।