ডিজিটাল সামাজিক উদ্ভাবনের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বিডিএসআই অ্যাওয়ার্ড-২০২১ এর চূড়ান্ত বিজয়ীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি সংগঠনটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
মে মাসের শুরুতে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে তিনটি ধাপে বাছাই পর্বের মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সংগঠনটি ২০১৬ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে এই আয়োজন করে আসছে। এবারের আয়োজনটি ছিলো সারা বিশ্বব্যাপী। ১০০৮ জন অংশগ্রহণকারীর আবেদন থেকে প্রাথমিকভাবে ১৫২ জনকে নির্বাচিত করা হয়। এরপর চূড়ান্ত বাছাই প্রক্রিয়া ভার্চুয়াল কিউ অ্যান্ড এ সেশনের মাধ্যমে মোট সাতটি ক্যাটাগরিতে গ্রুপ ও ইন্ডিভিজ্যুয়াল সেকশনে সাতটি সামাজিক সংস্থা ও আট ব্যক্তিকে চূড়ান্ত বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশ ডিজিটাল সোশ্যাল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২১ বিজয়ী সংস্থাগুলো হলো, লাইটার অব লাইট বাংলাদেশ, ইয়ুথ প্রিনিয়ার নেটওয়ার্ক, ইঞ্জিনিয়ারস হাব বিডি, কিপ স্মাইল ফাউন্ডেশন, বহ্নিশিখা, স্টাডি বুথ-লার্ন টুগেদার, ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জ মেকার।
বিজয়ী আট ব্যক্তি বলেন, গ্রিন গভারনেন্স ইনিসিয়েটিভ সেন্টারের কো-ফাউন্ডার পালাক সারমা, অনুশীলন সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা অলোক চন্দ্র দাষ, ইভ্যুলেশন ৩৬০'র সভাপতি আনিকা শুভা আহমেদ উপমা, ইয়ং সিইএ'র লিড ফাউন্ডার শাহেস্তু আবিদা ভিরাওয়াসিই, বাংলাদেশ হুইল চেয়ার ক্রিকেট টিমের অধিনায়ক এমডি মহসিন, আকিজ ফুডের ব্র্যান্ড ম্যানেজার মুনতাছির মুন, সাজিয়া আফরিন সুলতানা এবং সৈয়দা নাজনিন আহমেদ সিলভি।
এ বিষয়ে বিডিএসআইএফ এর সভাপতি মো. আলী আকবর আশা বলেন, বাংলাদেশ ডিজিটাল সোশ্যাল ইনোভেশন ফোরাম জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অংশীদারি প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। আমরা যুব সমাজের প্রযুক্তিগত সামাজিক উদ্ভাবন মূলক কাজের সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে যুব সমাজকে সামাজিক পরিবর্তনমূলক কাজ ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উদ্ভুদ্ধ করি। যারা বিজয়ী হয়েছেন তারা পরবর্তী ধাপে এসেসমেন্ট ফরম আবেদনের মাধ্যমে এই সুযোগ গ্রহণে অংশগ্রহণ করতে পাবেন।
পুরস্কার বিতরণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে সংগঠনের সেক্রেটারি শরীফ মাহমুদ বলেন আমরা আগামী ১১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে একই সঙ্গে ক্যানাডা এবং বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করবো। বাংলাদেশে এই আয়োজন সম্পন্ন করবে সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. ইব্রাহীম হোসেন এবং ক্যানাডাতে আমাদের সভাপতি মো. আলী আকবর।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি