ঈশ্বরদীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা

হঠাত্ করেই ঈশ্বরদীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তবে আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি। প্রচণ্ড গরমের কারণেই ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকরা । ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিনই বিপুল সংখ্যক ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী সেবা নিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসছেন। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছেন গুরুতর ১০-১৫ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী। এছাড়াও বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকেও ডায়রিয়ার রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। ৫০ শয্যার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনার জন্য একটি ইউনিট বরাদ্দ করায় ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর স্থান সংকুলান হচ্ছে না। হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও ২৯ শয্যা নিয়েই দীর্ঘদিন যাবত্ পরিচালিত হচ্ছে চিকিত্সাসেবা। হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসমা খান জানান, করোনার জন্য একটি ইউনিট বরাদ্দ করায় অন্যান্য রোগীদের সেবা দিতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। মঙ্গলবার সকালে কয়েক জন ডায়রিয়া রোগী সুস্থ হয়ে চলে যাওয়ার পর এখনো সাত- আট জন ভর্তি আছে বলে জানান তিনি। হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম শামীম জানান, ঈদের পর ঈশ্বরদীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। রমজানের পর খাবার গ্রহণে হেরফের হওয়া এবং প্রচণ্ড গরমের কারণে ডায়রিয়া আক্রান্ত বাড়ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। হাসপাতালের মা ও শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিত্সক ডা. আব্দুল বাতেন শিশু এবং বৃদ্ধদের ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিদিনই হাসপাতালে তার কাছে ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুরা ভিড় জমাচ্ছে। তীব্র দাবদাহের কারণেই ঈশ্বরদীতে লোকজন ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।