দেশে বজ্রপাতে প্রাণহানি বেড়েছে। সাধারণত এপ্রিল-মে মাসে বজ্রপাত শুরু হয়। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানমতে প্রতি বছর বজ্রপাতে ২০০ জনের মৃত্যু ঘটে। গত কয়েকদিনে সারা দেশে প্রায় ২০ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে এ দুর্যোগে। কৃষক, রাখাল, ব্যবসায়ী অধিক হারে বজ্রপাতের শিকার হন। ঝড়বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মাঠে ঘাটে কাজ করার সময় অধিকাংশ ক্ষেত্রে কৃষকরাই বজ্রপাতের শিকার হয়ে থাকেন। শহরের চেয়ে গ্রাম অঞ্চলে প্রাণহানির সংখ্যা বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে বায়ুদূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্ব উষ্ণতা বৃদ্ধি, নির্বিচারে বৃক্ষনিধন, কৃষিতে ভারী ধাতব যন্ত্রাংশ ব্যবহারে বজ্রপাতের দুর্ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে। এই অবস্থায় সরকারের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বজ্রপাতকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে এই ব্যাপারে গবেষণা ও জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। বজ্রপাতে ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে পরিবেশদূষণ রোধ, তালগাছ ও খেজুরগাছ রোপণ, গণমাধ্যম ও কমিউনিটি রেডিওতে বজ্রপাতের সতর্কবার্তা ঘনঘন প্রচারের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং বজ্রপাত নিরোধক যন্ত্র তথা আর্থিং স্থাপনসহ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন মনে করি।
মো. সাইমুন
দিয়াকুল, দোহাজারী পৌরসভা, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম