নগর সংস্কৃতি

অতুলপ্রসাদের গানে সুরেলা সন্ধ্যা

অতুল প্রসাদের গানে সুরেলা সন্ধ্যা উপহার দিলেন শিল্পীরা। মহামারির এই দুঃসময়ে গতকাল বুধবার রাতে অনলাইনে ‘নাগরিক পল্লিগীতি’ শীর্ষক এই সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করে রাধারমণ সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্র। সংগঠনটির ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচারিত হয় এ অনুষ্ঠান।

সব মিলিয়ে অতুলপ্রসাদের ১০টি গানে সাজানো ছিল এই আয়োজন। পরিবেশিত হয় লোকজ বাংলার ভাটিয়ালি, বাউল আর কীর্তন আঙ্গিকের গান। অন্তর্জালের এই সংগীতাসরে পাঁচটি করে গান শোনান দুই কণ্ঠশিল্পী মাহমুদ সেলিম ও শিমু দে।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাধারমণ সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক লোকসংগীত গবেষক ও কণ্ঠশিল্পী ড. বিশ্বজিত্ রায়। অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলা গানের ধারায় লোকগান ঐতিহ্যগতভাবেই প্রাচীন। গ্রাম বাংলার গীতিকবিদের রচিত সেই ধারাটিই একসময় নাগরিক গীতিকবিদের আকৃষ্ট করে।

মাহমুদ সেলিমের পরিবেশনার মাধ্যমে শুরু হয় সংগীতাসর। শুরুতেই গেয়ে শোনান—যদি তোর হূদ-যমুনা হলো রে উছল/ তবে তুই এ কূল ও কূল ভাসিয়ে দিয়ে/ চল রে ভোলা...। এরপর  তিনি গেয়ে শোনান আরো চারটি গান। সেগুলোর শিরোনাম ছিল ‘আ মরি বাংলা ভাষা’, ‘দিলদরিয়ায় বান ডেকেছে’, ‘আপন কাছে অচল হলে’ এবং ‘একা মোর গানের তরি’।

পরিবেশনার শুরুতেই শিমু দে গেয়ে শোনান—মম মনের বিজনে আমি মিলিব তব সনে/ জাগরণে যদি পথ নাহি পাও, তুমি আসিয়ো স্বপনে...। এর পর এই শিল্পীর পরিবেশিত বাকি চারটি গানের শিরোনাম ছিল—‘মুরলী কাঁদে রাধা রাধা বলে’, ‘পাগলা মনটারে তুই বাঁধ’, ‘ওগো নিঠুর দরদি’ এবং ‘ওরে বন তোর বিজনে’।