কেশবপুরে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি না হওয়ায় প্রচণ্ড দাবদাহে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে পাটখেত। ফলে ফলন নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগও। উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি বছর এ উপজেলায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলার মজিদপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল হামিদ জানান, প্রচণ্ড খরার কারণে জমিতে আগাছার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। ভূগর্ভস্থ পানি দিয়ে উপরি সেচ প্রয়োগ করেও কোনো কাজ হচ্ছে না। ঘন ঘন পানি না দিলে গাছের ডগা শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে খরচ বেড়ে গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাদেব সানা বলেন, বৃষ্টি না হলে পাটের উত্পাদন, ফলন—দুটোই ব্যাহত হবে।